বাঙালি হলেও খাওয়া দাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের বাদ বিচার খুবই সীমিত। বাঙালি রকমারি খাবারের পাশাপাশি চাইনিজ, কন্টিনেন্টাল, টিবেটান নানা রকমের খাবার চেখে দেখতে আমাদের কোনো অনীহা নেই। চাইনিজ হরেক রকম পদের ক্ষেত্রে আমাদের দুর্বলতা বরাবরই একটু বেশি, সে চাউমিন হোক বা চিলি চিকেন, চিকেন ড্রামস্টিক হোক বা ফ্রায়েড রাইস বাঙালির রসনাতৃপ্তির চাহিদা বরাবরই এদের ঘিরে। মূলত এই ধরনের খাবার আমরা বাইরে থেকেই কিনে খেয়ে থাকি, কিন্তু খুব সহজেই বাড়িতেই এইগুলো বানিয়ে নেওয়া যায়। আজ রইল ফ্রায়েড রাইসের রেসিপি। আসুন দেখে নেওয়া যাক

উপকরণ ও রন্ধন পদ্ধতি: ৩০০ গ্রাম বাসমতি চাল ভালো করে ধুয়ে নিয়ে ১ ঘণ্টা জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে।
এবার কড়াইতে ৩ টেবিল চামচ ঘি ও ৩ টেবিল চামচ সাদা তেল দিয়ে গ্যাস জ্বালিয়ে কড়াইটি বসিয়ে দিন। তেল ও ঘি গরম হলে কুঁচি করে কাটা হাফ কাপ বিন দিয়ে মাঝারি আঁচে ভালো করে ভেজে নিন। এবার হাফ কাপ গাজর কুচি, হাফ কাপ কাপসিকাম কুচি, ৪ টে লঙ্কা দিয়ে দিন এবং ৫ মিনিট ভালো করে ভেজে নিন। এবার একে একে কাজুবাদাম ও কিসমিস দিয়ে মাঝারি আঁচে ২ মিনিট ভালো করে মিশিয়ে নিন।

এবার অন্য একটি পাত্রে পরিমাণমতো জল দিয়ে একে একে ২ টেবিল চামচ নুন, ৫ টি এলাচ, ৫ টি দারচিনি, ৮ থেকে ১০ টি লবঙ্গ, ২টি তেজপাতা, ও অল্প জৈত্রি দিয়ে ঢাকা দিয়ে মাঝারি আঁচে জলটা ভালো করে ফুটিয়ে নিন।

এবার ভিজিয়ে রাখা চাল থেকে জল ঝরিয়ে এই ফুটন্ত জলে ধীরে ধীরে চালটা ঢেলে দিন। এবার উচ্চ তাপে চাল ৯০ শতাংশ সিদ্ধ হওয়া অবধি ফোটান। এবার সিদ্ধ হয়ে যাওয়া চাল থেকে জল ঝরিয়ে ঠান্ডা করে নিন।
এবার একটি কড়াইতে ২ চামচ ঘি ও ১ টেবিল চামচ আদাবাটা দিয়ে ২ মিনিট ভালো করে ভেজে নিন। এবার ভেজে রাখা সবজি গুলো দিয়ে দিন। এবার সেদ্ধ করা চালটা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার সামান্য গুঁড়ো চিনি আর স্বাদানুসারে নুন দিয়ে দিন। গোলমরিচ গুঁড়ো ও গরম মশলা ছড়িয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। আপনার ফ্রায়েড রাইস তৈরী। গরম গরম পরিবেশন করুন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.