ফাইল ছবি

শ্রীনগর: পাক সেনার হামলায় মৃত্যু হল ১০দিনের শিশুর৷ রবিবার পাকিস্তানি সেনার ছোঁড়া মর্টারে গুরুতর আহত হয় ওই ছোট্ট শিশু৷ সোমবার সে মারা যায়৷ ওই শিশুর সঙ্গেই গুরুতর আহত হয়েছিলেন তাঁর মা ফতিমা জান (৩৫)৷ আরও একজন নাগরিক মহম্মদ আরিফ (৪০)ও এদিন আহত হন৷ কাশ্মীরের শাহপুরে এই মর্টার হানা চলে রবিবার৷

আহতদের পুঞ্চ হাসপাতালে ভরতি করা হয়৷ তবে শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি৷ বাকি দুজনের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়৷ পুঞ্চ হাসপাতাল থেকে তাঁদের জম্মুর সরকারি মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়৷

আরও পড়ুন : ‘সৈনিক’ ধোনিকে স্যালুট কটরেলের

এদিকে, এই ঘটনার পরে সোমবার সকাল থেকে ফের মর্টার শেলিং শুরু হয় পাক সেনার৷ বেলা ১২.৪৫ নাগাদ ভারি মর্টার শেলিং চলে সীমান্তে৷ পুঞ্চ জেলার শাহপুরে এই মর্টার হামলা চালায় পাক সেনা৷ জবাব দেয় ভারতীয় সেনাও৷

বিনা প্ররোচনাতেই পাক সেনা প্রথমে হামলা করে বলে খবর৷ সোমবার ভোরেও পাক সেনার তরফে হামলা চলে৷ মেন্ধর ও মানকোট কৃষ্ণা ঘাঁটি এলাকায় চলে ভারি বোমা বর্ষণ৷

রবিবার বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মর্টার হামলা চালানো হয় বলে খবর৷ সেই মর্টার হামলাতেই মৃত্যু হল ওই শিশুপুত্রের৷ বেশ কয়েকটি বাড়ির ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ তবে রবিবার রাতে কোনও হামলা না হলেও, সোমবার সকাল থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জম্মু কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টর৷ সোমবার সকালে যে মর্টার হামলা হয়েছে, তা ভারতের তরফে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই৷

আরও পড়ুন : মমতার মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হচ্ছে সৌরভের

দুদিন আগেই জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করে ভারতীয় সেনা৷ শনিবার দুপুরে ২.২০মিনিট নাগাদ পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে মচ্ছল সেক্টরে জঙ্গিরা প্রবেশের চেষ্টা করলে তা ব্যর্থ করে দেয় তৎপর ভারতীয় সেনা৷ জম্মু-কাশ্মীরে এই অভিযানে এক সেনা শহিদ হওয়ার খবর পাওয়া যায়৷

সেনার মুখপাত্র জানান, শনিবার দুপুরে পিওকে থেকে মাচ্ছিল সেক্টরে জঙ্গিদের একটি গ্রুপ অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে৷ কিন্তু ভারতীয় সেনারা সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়৷ তবে এক সেনা প্রাণ হারান বলে জানান তিনি৷

এদিনই আবার বড়সড় সাফল্য পায় ভারতীয় সেনাবাহিনী৷ জইশ-ই-মহম্মদের কমান্ডারের চাঁই সহ খতম হয় ২ জঙ্গি৷ শনিবার জম্মু-কাশ্মীরের সোপিয়ানে সিকিওরিটি ফোর্সের এনকাউন্টারে এই জঙ্গি নিকেশ সম্ভবপর হয়৷ কাশ্মীরের বহু সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু পিছনে হাত ছিল পাক নাগরিক মুন্না লাহোরির৷ সে বিহারি নামেও পরিচিত৷ পাক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইস-ই-মহম্মদে যুবকদের নিয়োগের দায়িত্বে ছিল এই বিহারি৷ সে আইইডি(বিস্ফোরক) তৈরিতেও দক্ষ ছিল৷