হাওড়া : চলে গেলেন হাওড়া জেলার বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী বৃন্দাবন চন্দ্র ঘোষ। জানা গেছে, গত ২৬ শে নভেম্বর বৃহস্পতিবার হাওড়ার বালিতে নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই প্রবীণ বিপ্লবী। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৯। ছোটো থেকেই বাবামায়ের উৎসাহে স্বদেশচেতনায় নিজেকে উদ্বুদ্ধ করে তোলেন বৃন্দাবন বাবু।

বালি স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পড়ার পর রাজশাহীতে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য ভর্তি হন। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময়েই ১৯৪০ সালে সুভাষ চন্দ্র বসুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে গুপ্ত সংগ্রাম সমিতিতে যোগ দেন। ১৯৪২ সালে মহাত্মা গান্ধীর ডাকে ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনে যোগদান করে কারাবরণ করেন হাওড়ার এই প্রবীণ বিদগ্ধ ব্যক্তিত্ব।

১৯৪৪ সালে জেল থেকে মুক্তির পর বিভিন্ন গঠনমূলক কাজে যুক্ত হন। স্বাধীনোত্তর সময়ে জাতীয় কংগ্রেসের হয়ে নানা সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্রতী হন। ১৯৭৪ সালে ভারত সরকার তাঁকে ‘তাম্রপত্র’ দিয়ে সম্মানিত করেন। তিনি বহু সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন। মহাত্মা গান্ধী প্রতিষ্ঠিত হরিজন সেবক সংঘে যুক্ত হয়ে তিনি বাংলা ও ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করেন। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।