মুম্বই: বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বাজেটের দিন শেয়ার সূচকের ওঠানামা থাকলেও দিনের শেষে তেমন বড় পতন ছিল না৷ কিন্তু শুক্রবারে বড় পতনের ধাক্কায় শেয়ার বাজার থেকে উবে গেল বাজারে থাকা প্রায় পাঁচলক্ষ কোটি টাকার মূলধন৷ বিএসইতে নথিভুক্ত সংস্থার মোট বাজারি মূলধন আগে যেখানে ছিল ১৫৩.১ লক্ষ কোটি টাকা, তার থেকে ৪.৭ লক্ষ কোটি টাকা কমে গিয়ে এদিন দাড়িয়েছে ১৪৮.৪ লক্ষ কোটি টাকা৷

বৃহস্পতিবার সেনসেক্স তার আগের দিনের তুলনায় ৫৮ পয়েন্ট তলায় ছিল৷ সেখানে শুক্রবার সেনসেক্স নেমে গিয়েছে ৮৩৯.৯১ পয়েন্ট ফলে দিনের শেষে অবস্থান করছে ৩৫,০৬৬.৭৫ পয়েন্টে৷ একই রকম ভাবে নিফটি ২৫৬.৩০ পয়েন্ট নেমে অবস্থান করেছে ১০৭৬০.৬০ পয়েন্টে৷ এদিন প্রায় ২৫০০টি শেয়ারের দাম কমলেও ৩০০টি শেয়ারের দাম বেড়েছে ৷ যদিও বাজারের এই পতনের পরেও কিছু বিশেষজ্ঞের মত, বাজারে এই রকম সংশোধন আসলে সুস্বাস্থ্যেরই লক্ষণ এবং তাদের ধারণা দীর্ঘমেয়াদে বাজার ভালই হবে৷

এদিকে আবার সরকার যেভাবে শেয়ারে দীর্ঘমেয়াদি মূলধনী লাভের উপর কর ফিরিয়ে এনেছে তাতে বাজারের অনেকেই হতাশ হয়েছেন৷ ২০০৪ সালে সরকার শেয়ারের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি মূলধনী আয়ের উপর থেকে কর তুলে দিয়ে সিকিউরিটি ট্রান্সাকশন ট্যাক্স বসিয়েছিল৷

কিন্তু এবারে যখন দীর্ঘমেয়াদি মূলধনী লাভের উপর কর ফিরিয়ে আনা হল তখন কেন সিকিউরিটি ট্রান্সাকশন ট্যাক্স তুলে দেওয়া হল না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে নানামহল৷ তাছাড়া আর্থিক ঘাটতি ৩.২ থেকে বাড়িয়ে ৩.৫ শতাংশ করায় আদৌ স্বস্তিতে নেই বাজারের লগ্নিকারীরা বলে মনে করেছেন বিশ্লেষকদের একাংশ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.