কলকাতা: এফএসডিএলে’র গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আসন্ন মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল খেলার সম্ভাবনা কার্যত শেষ। তবুও শেষ মুহূর্তে নানা আলোচনার মধ্যে দিয়ে এখনও জারি রয়েছে চেষ্টা। সবিমিলিয়ে আইএসএল না আই লিগ, এই জল্পনার মাঝেই বুধবার রাতের দিকে নতুন কোচের নাম ঘোষণা করল কলকাতা জায়ান্টরা।

ইস্টবেঙ্গলের নতুন কোচ হচ্ছেন গোয়ার মারগাঁওয়ের ফ্রান্সেসকো জোস ব্রুটো দা কোস্তা। দলের হেড কোচ হিসেবে তিনি দায়িত্ব নেবেন নাকি সহকারীর দায়িত্ব সামলাবেন, সেটা স্পষ্ট করা হয়নি ক্লাবের পক্ষ থেকে। তবে এএফসি প্রো লাইসেন্স থাকলেও কোনও কারণে ইস্টবেঙ্গল যদি আইএসএলে খেলার সুযোগ পায় তবুও ম্যানেজারের দায়িত্ব সামলাতে পারবেন না কোস্তা। কারণ আইএসএল ফ্র্যাঞ্চাইজির ম্যানেজার হতে গেলে অবশ্যই বিদেশি হওয়া প্রয়োজন। তবে অভিজ্ঞতার নিরিখে একেবারে আনকোরা নন এই গোয়ানিজ।

২০১৬ নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের সহকারী কোচের দায়িত্ব সামলেছেন গোয়ানিজ কোচ। এছাড়া মালয়েশিয়ার জাতীয় দলের সহকারী কোচেরও দায়িত্ব সামলেছেন ফ্রান্সেসকো ব্রুটো দা কোস্তা। সবমিলিয়ে বলা যায় লাল-হলুদ কর্তারা একপ্রকার ধরেই নিয়েছেন আসন্ন মরশুমে আই লিগই খেলতে হবে। সে কারণেই তড়িঘড়ি দেশীয় কোচের নাম ঘোষণা করলেন তাঁরা। তাছাড়া ক্লাব লাইসেন্সিং’য়ের কারণেও একটি কোচের নাম ঘোষণা জরুরি ছিল।

৩৮ বছরের কোস্তা অবশ্য ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব পেয়ে উচ্ছ্বসিত। তিনি জানিয়েছেন, ‘ইস্টবেঙ্গল ঐতিহ্যে ভরপুর একটা ক্লাব। স্বাভাবিকভাবেই এই ক্লাবের দায়িত্ব পেয়ে আমি খুশি এবং একইসঙ্গে গর্বিত। আমি নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে চাই।’ মাত্র ২০ বছর বয়সে কোচিং কেরিয়ারে হাতেখড়ি গোয়ানিজ এই কোচের। দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল স্তর থেকে ভারতীয় ফুটবলে ফুটবলার সাপ্লাই দেওয়ার কাজ করেছেন ব্রুনো। অর্থাৎ, এআইএফএফে’র এলিট অ্যাকাডেমিতে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি। পাশপাশি ভারতের অনুর্ধ্ব-১৪, অনুর্ধ্ব-১৭ এবং অনুর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন ফ্রান্সেসকো।

বুধবার রাত ১০টার আশেপাশে ক্লাবের টুইটার অ্যাকাউন্টে নয়া কোচের নাম ঘোষণা করে ইস্টবেঙ্গল। সেখানে লেখা হয়, ইস্টবেঙ্গল ক্লাব আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছে যে নয়া কোচ হিসেবে ফ্রান্সিসকো জোস ব্রুটো দি কোস্তা ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।’

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও