ক্যামেরুন-জার্মানি ম্যাচের একটি মুহূর্ত ৷

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে ক্যামেরুনের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করল জার্মানি ৷ জার্মান সমর্থকরা তো বটেই, কোচ জোয়াকিম লো-ও দলের পারফরম্যান্সে হতাশ।

মানচেনগ্লাডবাখে ম্যাচ শেষে অসন্তোষ প্রকাশ করেন লো, ‘সবাই ফ্রেশ ছিল না ৷ আমরা ভালো পাসিং ফুটবল খেলতে পারিনি ৷ খেলায় অনেক ভুল  হয়েছে ৷’  জার্মানির হতাশার ম্যাচে  ক্যামেরুনকে বেশ উজ্জীবিত দেখিয়েছে৷ বসনিয়ার কাছে হেরে গিয়েছিল ক্যামেরুন ৷ জার্মানির সঙ্গে ড্র করায় আত্মবিশ্বাস বাড়বে ক্যামেরুনের  ৷ ম্যাচের চারটি গোলই হয়েছে ৬২ থেকে ৭৮ মিনিটের মধ্যে৷ অধিনায়ক স্যামুয়েল ইটো প্রথমে এগিয়ে দেন ক্যামেরুনকেই৷ টমাস মুলার সমতা ফেরানোর পর বদলি হিসেবে নামা আন্দ্রে শুরলের গোলে এগিয়ে যায় জার্মানি৷ পরে চৌপো-মুতিংয়ের গোলে সমতা ফেরায় ক্যামেরুন৷

একই দিনে প্রস্তুতি ম্যাচে ড্র করে ফ্রান্স ৷ আগের ম্যাচে নরওয়েকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ১৯৯৮ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নরা ৷ রিবেরি অবশ্য প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে নামেননি ৷ ফ্রান্সকে রুখে (১-১) দেয় দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি ৷ যখন মনে হচ্ছে ম্যাচটি গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হবে, ঠিক তখনই ফ্রান্স এগিয়ে যায় বদলি ফুটবলার গ্রিজমানের গোলে ৷ শেষ মুহূর্তে প্যারাগুয়ে সমতা ফেরায় ক্যাসেরাসের গোলে। ড্র করলেও হতাশ নন ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশঁ ৷ তিনি বলেন, ‘প্রতি ম্যাচেই ৪-০ জেতা সম্ভব নয় ৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।