প্যারিস: ১৯৯৮ থেকে ২০১৮, কুড়ি বছরের অপেক্ষাকে বিশ্বজয়ে বদলেছেন এমবাপেরা৷ দ্বিতীয়বাররে জন্য বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স৷ দেশের জয়ে স্বাভাবিকভাবেই অকাল উৎসব শুরু হয়েছে ফ্রান্সে৷ মানব সমুদ্র সৃষ্টি হয়েছে আইফেল টাওয়ারের সামনে৷ দেশের পতাকা হাতে বিভিন্ন শহরে রাস্তায় নেমে এসেছেন ফরাসিরা, এ যেন এক অন্য ফরাসি বিপ্লব৷

১২ বছর পর বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলে জয়ী ফ্রান্স৷ শেষ এক দশকে বেশ কয়েকবার তীরে এসে তরী ডুবেছে ফ্রান্সের৷ ২০০৬ সালে ইতালির কাছে বিশ্বকাপ হাতছাড়া করেছিল জিনেদিন জিদানের দল৷ ২০১৬ তে ইউরো কাপের ফাইনালেও ফ্রান্সকে থামিয়ে দিয়েছিল পর্তুগাল৷ তাই এবার বিশ্বকাপ জিততে মরিয়া ছিল দেশঁ’র ছেলেরা৷ ফাইনালের আগে দলের তারকা ফুটবলার এমবাপে , পোগবা চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিয়ে তাঁদের স্বপ্নের কথাও জানিয়েছিলেন৷

২০০৬ এবং ২০১৬ ভুলের পুনরাবৃত্তি হতে দেননি এমবাপে, গ্রিজমানরা৷ ক্রোটদের হারিয়ে রাশিয়ার মাটিতে বিশ্বজয় করে ফেলেছে দিদিয়ের শিষ্যরা৷ কাল রেফারির সমাপ্তি বাঁশির সঙ্গেই লুজনিকির গ্যালারি জুড়ে উচ্ছাস দেখা গেছিল ফরাসিদের৷ সময়ের সঙ্গে মস্কোর গ্যালারির সেই ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে ফ্রান্সে৷

ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ হারিয়ে ২০১৮ বিশ্বকাপ জিতে নিল গ্রিজমান-এমবাপেরা৷ ১৯৯৮-এর পর ফের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হল ফ্রান্স৷ প্রথমার্ধে ২৮মিনিটে পিছিয়ে থেকে পেরিসিচের দুরন্ত গোলে ম্যাচ ফিরেছিল মদ্রিচরা৷ দ্বিতীয়ার্ধেও ১-৪ পিছিয়ে থেকে ৬৯ মিনিটে ফ্রান্স গোলরক্ষক লরিসের ভুলের সুযোগ নিয়ে ব্যবধান কমিয়ে ২-৪ করেন মানজুকিচ৷ শেষ রক্ষা অবশ্য হল না৷ ক্রোয়েশিয়ার স্বপ্নের দৌড় শেষ ফাইনালে৷ রানার্স হয়েই মাঠ ছাড়ল মদ্রিচ অ্যান্ড কোং৷ বৃষ্টিতে ঢাকা পড়ল রাকিটিচদের কান্না!

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।