প্যারিস:  রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ এস্তোনিয়ায় ব্রিটিশ রাজকীয় বাহিনী আক্রমণের কাজে ব্যবহার যোগ্য এমন পাঁচটি অ্যাপচে হেলিকপ্টার পাঠিয়েছে। আর আগে এস্তোনিয়াতে সেনাদল, ট্যাংক, যুদ্ধযান এবং আরও সামরিক যান পাঠানো হবে বলে ঘোষণা করেছিল ফ্রান্স। ব্রিটিশ রয়েল ফোর্সের এএইচ-৬৪ অ্যাপচে হেলিকপ্টার এস্তোনিয়ার আমারি বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছে গিয়েছে ইতিমধ্যে। এস্তোনিয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বাল্টিক অঞ্চলে ন্যাটোর বৃহত্তর মোতায়েনের আওতায় ওই দেশে এই পরিমাণ সামরিক অস্ত্র পাঠানো হয়েছে।

ন্যাটোর সামরিক মহড়া ‘স্ট্রিং স্টর্মে’ এই সমস্ত হেলিকপ্টার অংশ নেবে বলে মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়া, রুশ সীমান্ত থেকে মাত্র ১৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এন্তোনিয়ার তাপা শহরে অবস্থিত সামরিক ঘাঁটিতে এগুলোকে মোতায়েন করা হবে। মহড়ায় অংশ গ্রহণের আগে এস্তোনিয়ার আকাশে এই সমস্ত হেলিকপ্টার প্রথমবারের মতো ওড়া শুরু করবে। এর আগে রাশিয়ার সীমান্তবর্তী এই এলাকায় চারটি এডব্লিউ ১৫৯ ওয়াইলডক্যাট হেলিকপ্টারও পাঠিয়েছে ব্রিটেন।

এদিকে, এস্তোনিয়ার তাপায় ফরাসি একটি সেনাদল পৌঁছেছে। এ দলে ৩০০ সেনা রয়েছে। দেশটিতে পাঁচটি ট্যাংক এবং ১৩টি অত্যাধুনিক সামরিক যান এবং পদাতিক সেনাবহনকারী ২০টি যুদ্ধযান পাঠানো হবে বলে প্যারিস থেকে ঘোষণা করা হয়েছে। ট্রেনে করে বিশাল এই সামরিক সজ্জা পাঠানো হবে। ২০১৪ সালে ইউক্রেন সংকটের পর রাশিয়ার নিকটবর্তী এলাকাগুলোতে অবস্থান জোরদার করছে ন্যাটো। এই সব এলাকায় যুদ্ধ উপযোগী সেনাদল মোতায়েনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক মহড়া বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া, রুশ সীমান্তের কাছে ন্যাটোর নজরদারি ও গোয়েন্দা বিমান এবং চালকহীন বিমানের তৎপরতাও বেড়েছে। ফলে এই অঞ্চলে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সামরিক পর্যবেক্ষকরা।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও