নিজনি নভগোরড: পুতিনের দেশে বিশ্ব ফুটবলে ফরাসি বিপ্লব! লাতিন আমেরিকার শিল্প বনাম ইউরোপীয় গতি, উরুগুয়ে-ফ্রান্স কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ের মূল আকর্ষণ৷ নিজনি নভগোরডে শিল্প বনাম গতির লড়াইয়ে বাজিমাত করল ফ্রান্স৷ উরুগুয়েকে ২-০ উড়িয়ে দিয়ে এক যুগ পর বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে চলে গেল দেঁশ’র ছেলেরা৷ শেষ বার ২০০৬ সালে সেমিফাইনাল খেলেছিল জিদানের দেশ৷

এক কথায় গ্রিজমান ঝড়ের সামনে এদিন উড়ে গেল লাতিন জায়েন্ট উরুগুয়ে৷ প্রথমার্ধে তাঁর ফ্রি-কিকে হেড ভারানের৷ সেই হেডেই এগিয়ে যায় ফ্রান্স৷ দ্বিতীয়ার্ধে বক্সের বাইরে থেকে ৬১ মিনিটে বুলেট গতির শটে উরুগুয়ের গোলরক্ষক ফার্নান্ডো মুসলেরাকে পরাস্ত করে স্কোরলাইন ২-০ করে দেন গ্রিজমান৷ গোলকিপারের ভুলেই দ্বিতীয় গোল হজম উরুগুয়ের৷

প্রথমার্ধের ৪০ মিনিটে বক্সের বাইরে তোলিসোকে বিপদজনক ফাউল করলে ফ্রি-কিক পায় ফ্রান্স৷ গ্রিজম্যানের বাঁকানো বলে এরপর মুভিং হেডে উরুগুয়ের জালে বল জড়িয়ে দলকে লিড এনে দেন ভারানে৷ প্রথমার্ধের শেষ বাঁশি বাজার আগে ৪৪ মিনিটে উরুগুয়ের হয়ে ক্যাসেরেস হেডে বিপদ তৈরি করলে দলকে সমতায় ফেরাতে পারেননি৷ ডানদিকে ঝুঁকে দুরন্ত সেভে লিড ধরে রাখেন ফ্রান্স অধিনায়ক লরিস৷

ফ্রান্স নয়, শুরুতে যদিও আলো কাড়তে সক্ষম হয়েছিল বিশ্বকাপের প্রথমবারের চ্যাম্পিয়ন দল উরুগুয়ে৷ চোঠের জন্য শুরু থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে ছিলেন না কাভানি৷ তাঁর অভাব প্রথম ১৫ মিনিটে ঢেকে দেন সুয়ারেজরা৷ ফ্রান্স দুর্গে চকিতে আক্রমণ দেখে তখন উরুগুয়েকে চেনা দায়৷ ১৪ মিনিটে নামের পাশে নিশ্চিত একটা গোলও লিখে ফেলেছিল উরুগুয়ানরা৷ ফ্রান্সের গোলরক্ষক লরিসের ফিস্টে সেযাত্রায় বিপদ কাটিয়ে ম্যাচে ফেরে ১৯৯৮এর বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল৷

এরপর নিজনিতে টান টান উত্তেজনার ম্যাচ৷ প্রথম ১৫ মিনিট যেতেই খোলস ছেড়ে বেড়োয় ফ্রান্স৷ ১৬ মিনিটে প্রতিআক্রমণে ঝড় তুলে হেডে সুযোগ তৈরি করেন এমবাপে৷ উঠতি তারকার দিশাহীন শট অবশ্য পোস্টের উপর দিয়ে বেড়িয়ে যায়৷ প্রথমার্ধে এরপর দুই প্রতিপক্ষই বেশ কয়েকটা সুযোগ তৈরি রক্ষণ দুর্গের সামনে বাধা পড়ে৷

প্রথমার্ধে দুই দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও দ্বিতীয়ার্ধ শুধুই ফ্রান্সের৷ ৬১ মিনিটে গ্রিজমানের গোলটি ছাড়াও গোটা অর্ধটা প্রায় আধিপত্য নিয়ে খেলে যায় দেঁশ’র ছেলেরা৷ বিপক্ষের বক্সে এদিন একবারের জন্যও বল নিয়ে আক্রমণে যেতে পারেননি সুরায়েজ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।