লিসবন: চার ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে এদিন শুরু করেছিল দু’দল। ফ্রান্সের মাটিতে প্রথম পর্বে দু’দলের মুখোমুখি সাক্ষাৎ অমিমাংসিত থাকায় এই ম্যাচের উপর নির্ভর করছিল অনেককিছু। গ্রুপ থেকে ফাইনাল ফোর বা সেমিফাইনালে সুযোগ করে নেবে কোন দল, অপেক্ষা ছিল এই ম্যাচের হার-জিতের উপর। আর গুরুত্বপূর্ণ সেই ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে উয়েফা নেশনস লিগের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স।

শনিবার লিসবনের এস্তাদিও দ্য লুজ স্টেডিয়ামে ইউরো চ্যাম্পিয়ন বনাম বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের লড়াই ঘিরে উত্তেজনা ছিল ব্যাপক। দ্বিতীয়ার্ধে এঙ্গোলো কান্তের একমাত্র গোলে উত্তেজক সেই ম্যাচে শেষ হাসি হাসল ফ্রান্স। ২০১৬ ইউরো ফাইনালে হারের বদলাটাও সেইসঙ্গে নিয়ে নিল দিদিয়ের দেশঁর দল। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে ফরাসি ব্রিগেডের আপফ্রন্টে এদিন ছিলেন না প্রধান স্তম্ভ কিলিয়ান এমবাপে। আতোয়াঁ গ্রিজম্যান, অ্যান্থনি মার্শিয়ালকে সামনে রেখেই দল সাজিয়েছিলেন দেশঁ।

প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক তুলে নিয়ে দলকে এগিয়ে দিতে পারতেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাটেড স্ট্রাইকার। কিন্তু দু’টি ক্ষেত্রে দলের অবধারিত পতন রোধ করেন পর্তুগিজ গোলরক্ষক রুই প্যাট্রিসিও। কোনও কারণে ম্যাচের ফলাফল ফ্রান্সের বিপক্ষে গেলে অনেকাংশে দায়ী থাকতেন মার্শিয়াল। কিন্তু বিরতির কিছু সময় পরেই মার্শিয়ালের সম্মান রক্ষা করেন সতীর্থ এঙ্গোলো কান্তে। বক্সের মধ্যে র‍্যাবিয়টের বাঁ-পায়ের জোরালো শট প্যাট্রিসিও ফসকাতেই তা জালে জালে জড়িয়ে দেন কান্তে। ওই একমাত্র গোলই ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয়।

যদিও এদিন ম্যাচে পর্তুগালের তুলনায় অনেক বেশি দৃষ্টিনন্দন ফুটবল উপহার দেয় ফ্রান্সই। সারা ম্যাচে নিষ্প্রভ ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। বিরতির আগে একটি জোরালো হেডার এবং প্রথমদিকে গোল লক্ষ্য করে একটি শট নেওয়ার ছাড়া বলার মত কিছু নেই পর্তুগিজ তালিসম্যান’কে নিয়ে।

এই জয়ের ফলে ৫ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে পৌঁছে গেল ফ্রান্স। গ্রুপের শেষ ম্যাচে ফ্রান্স হারলে এবং পর্তুগাল জিতলে পয়েন্ট সমান হবে ঠিকই, কিন্তু হেড টু হেড লড়াইয়ে এগিয়ে থাকার সুবাদে ফাইনালসে জায়গা পাক হবে ফ্রান্সেরই। এদিন ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে সেই ব্যাপারটাই নিশ্চিত করে ফেললেন পোগবারা। অন্যান্য ম্যাচে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ৩-১ জয় পেয়েছে জার্মানি। ১০ জনের সুইজারল্যান্ডকে পেয়েও হারাতে ব্যর্থ স্পেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।