কলকাতা: এবার বিজেপিতে যোগ দিতে পারে জনপ্রিয় খ্রিস্টান ধর্মযাজক ফাদার রডনি বরনিও। ইতিমধ্যেই লয়োলা হাইস্কুলের প্রিন্সিপাল পদ থেকে ইস্তপা দিয়েছেন তিনি। ক্যাথলিক চার্চের প্রধান থমার ডিসুজাকে তিনি তাঁর ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত জানিয়েছেন, খিদিরপুরের বাসিন্দা ফাদার রডনি আগামী সপ্তাহে বিজেপি-তে যোগদান করতে পারেন।

শনিবার ফাদার রডনি বরনিও জানিয়েছেন শনিবার সন্ধ্যায় বিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে এসেছেন তিনি। তবে আর্চডিয়োসিস তাঁকে ধরে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‘আমি পদত্যাগ করেছি। তাই এখানে থাকার কোনও অধিকার আমার নেই। কেন এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম সেটাও কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তবে এই কথাগুলি প্রকাশ্যে আমি বলতে চাই না। কারণ, এটা আমার আর আর্চডিয়োসিসের মধ্যে থাকা সম্পর্কের কথা।’’

জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্কুল পরিচালনা নিয়ে ফাদার রডনির সঙ্গে আর্চডিয়োসিসের মতানৈক্য তৈরি হয়। তবে এখনই রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু জানাননি। ফাদার রডনি বলেছেন, “আমি আমার দায়িত্বে থেকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করে গিয়েছি। যদি আমার বিচারধারার কোনও পরিবর্তন হয় তবে সেটাও সর্বোত্তম মঙ্গলের জন্যই হবে। মানবতার বৃহত্তর কল্যাণে কাজ করতে চাই। যদি কেউ আমাকে এটি করার সুযোগ দেয় আমি তাঁদের সাথে থাকব।’’

অন্যদিকে, ক্যাথলিক চার্চের প্রধান থমার ডিসুজা বলেছেন, “আমরা স্কুলে নিয়ম এবং নির্দিষ্ট একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করি। হঠাৎ করে এই পদত্যাগ এবং স্থানান্তর কোনও প্রক্রিয়াটিই গ্রহণযোগ্য নয়। আমার জন্য তিনি এখনও লয়োলা স্কুলের অধ্যক্ষ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছেন।’’

এদিকে, লয়োলা হাইস্কুলের প্রিন্সিপাল পদ থেকে ফাদার রডনি ইস্তফা দেওয়ার পরপরই তাঁর রাজনীতির আঙিনায় ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্তের মন্তব্যে ফাদারের গেরুয়া যোগের জল্পনা আরও বেড়েছে। ফাদার রডনি নিজেও জানিয়েছেন, সম্মান পেলে নিষ্ঠার সঙ্গে মানবতার জন্য কাজ করে যেতে তিনি আগ্রহী। এই কাজে তাঁকে সুযোগ দেওয়া হলে তিনি তা নিষ্ঠার সঙ্গেই পালন করবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.