স্টাফ রিপোর্টার,মালদহ: করোনার গ্রাসে গোটা পুলিশ ফাঁড়ি। এক বা দুই জন নয়। একই পুলিশ ফাঁড়ির মোট ১৪ জনের ধরা পড়ল করোনা পজিটিভ। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নং ব্লকের ভালুকা পুলিশ ফাঁড়ির ১৪ জন পুলিশ কর্মী করোনা আক্রান্ত। একই পুলিশ ফাঁড়ির মধ্যে একসঙ্গে এতজন পুলিশ কর্মীর করোনা আক্রান্তের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে পুলিশ মহলে।

এদিকে মালদহ জেলায় দিনের যত যাচ্ছে ততই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা | শুক্রবার মোট ৪৯২ জনের সোয়াব টেস্ট হয় তার মধ্যে মালদহের ৩৭ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে |এই নিয়ে মালদায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭৭১ জন,এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৮০ জন|

আক্রান্ত ৩৭ জনের মধ্যে হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের ২১জন,হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের ১জন,চাঁচল-২ ব্লকের ৭জন,ইংরেজ বাজারের ২জন ,পুরাতন মালদহের ২জন,হবিবপুরের ২জন এবং কালিয়াচকের ২জন রয়েছেন |

হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের ২১জনের মধ্যে রয়েছেন হরিশ্চন্দ্রপুর-ভালুকা ফাঁড়ির ১২জন সিভিক ভলেন্টিয়ার এবং ২জন পুলিশকর্মী| এতজন সিভিক এবং পুলিশকর্মীর একসঙ্গে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় করোনাতঙ্ক গ্রাস করেছে হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায়|

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই হরিশ্চন্দ্রপুর থানারও দুজন পুলিশকর্মী এবং একজন সিভিক ভলেন্টিয়ার আক্রান্ত হন। তার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও ১৪ জন পুলিশ কর্মীর করোনা আক্রান্তের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকাজুড়ে।

তবে এই ঘটনায় অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌর চন্দ্র মন্ডল। এদিকে মালদহ জেলায় ধাপে ধাপে সংক্রমণ বাড়ার জন্য তিনি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন সাধারণ মানুষের অসচেতনতাকে। গৌড় বাবুর দাবি, মানুষ সচেতন হলে সংক্রমণ এতটা বাড়তো না। করোনা প্রতিরোধে পুলিশ কর্মীদের কর্মকান্ডের ভূয়শী প্রশংসা করেন গৌর বাবু।

এই ঘটনার জন্য মানুষের সচেতনতাকে দুষলেন রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জ্যোতি ভূষণ পাঠক। তিনি জানান করোনা প্রতিরোধে একেবারে মাঠে নেমে সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন পুলিশ প্রশাসন ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাই তাদের করোনা সংক্রমনের ঘটনা স্বাভাবিক। জ্যোতিভূষণ বাবু আক্ষেপ করে বলেন যদি সাধারণ মানুষ সচেতন হতো তাহলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এতটা থাকত না।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ