ভুবনেশ্বর: ওড়িশা পুলিশের সঙ্গে মৃত্যু হল চার মাওবাদীর৷ এরা প্রত্যেকেই মহিলা বলে পুলিশ সূত্রে খবর৷ তবে এদের কাউকেই সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি৷ তল্লাশি এখনও চালাচ্ছে পুলিশ৷

ওড়িশার ডোকরি ঘাট এলাকায় মাওবাদীদের থাকার খবর পেয়ে অভিযান চালায় পুলিশ৷ কোরাপুটের নারায়ণপাটনায় শুরু হয় গুলির লড়াই৷ রবিবার রাত থেকে গুলির লড়াই শুরু হয়েছে বলে খবর৷

জেলা ভলান্টেরি ফোর্স ও স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ মিলিতভাবে অভিযান চালায়৷ অন্ধ্র-ওড়িশা সীমান্ত বরাবর স্পেশাল জোনাল কমিটি মাওবাদী ক্যাম্প তৈরি করেছে বলে খবর আসে৷ সেই খবর অনুযায়ী অভিযান চালানো হলে গুলির সংঘর্ষ হয়৷

অ্যান্টি মাওইস্ট অপারেশনসের আইজি আর পি কোচে জানিয়েছেন ক্যাম্পের বেশ কয়েকজন মাওবাদী পালাতে সক্ষম হয়েছে৷ বাকিদের গ্রেফতার করা গিয়েছে৷ এরই মধ্যে চারজন মাওবাদী নিহত হয়েছে৷ মৃতদেহের সঙ্গে বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইজি৷ ওই এলাকা থেকে তিনজনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে৷ আরেকটি এনকাউন্টার স্থল থেকে আরেক মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়৷

এরআগে, ফেব্রুয়ারি মাসে মাওবাদী-নিরাপত্তাকর্মী সংঘর্ষে মৃত্যু হয় ৪ মাওবাদীর৷ ঝাড়খণ্ডের পালামৌ জেলায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে৷ চারজন মাওবাদীর মধ্যে দুজন মহিলা বলে জানা যায়৷ নিরাপত্তারক্ষীরা তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় সংঘর্ষের সূত্রপাত৷ অভিযানে ছিল সিআরপিএফের ১৩৪ নম্বর ব্যাটেলিয়ান৷ ছিল রাজ্য পুলিশ৷ পালামৌয়ের নৌদিহা এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিল যৌথবাহিনী৷ তখনই এই ঘটনা ঘটে৷

এরআগে, ফেব্রুয়ারির ১৮ তারিখ ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সুকমা৷ মাওবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ হারান দুই কনস্টেবল৷ মারা যান এক সাধারণ নাগরিকও৷ এরই সাথে আহত হন আরও ছয়জন নিরাপত্তা রক্ষী৷ ঘটনাটি ঘটে ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।