ওয়াশিংটন: শুক্রবার ভোরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানাপলিসে বন্দুকবাজের হামলায় চার শিখসহ আটজন নিহত ও পাঁচ জন আহত হয়েছেন।সেখানকার ইন্টারন্যশনাল এয়ারপোর্টের অন্তর্গত ফেডেক্স সেন্টারে এই রক্তাক্ত হামলা চালায় বন্দুকবাজ। এলোপাথাড়ি গুলি চালালে আহত হন বহু মানুষ ও ৮ জনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন যে, মৃত শিখ পরিবারকে ভারত সম্ভাব্য সকল সহায়তা প্রদান করবে।

বিদেশমন্ত্রী আরও বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানাপলিসে বন্দুকবাজের হামলায় আমি হতবাক হয়েছি। এই ঘটনায় ভারতীয় আমেরিকান শিখ সম্প্রদায়ের ব্যক্তিরাও রয়েছেন।শিকাগোতে আমাদের কনসুলেট জেনারেল ইন্ডিয়ানাপলিসের মেয়র, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং সেখানকার শিখ সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।ভারত সমস্ত সম্ভাব্য সহায়তা প্রদান করতে প্রস্তুত। “

মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বিডেন এবং উপ-রাষ্ট্রপতি কমলা হ্যারিস এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে শোক প্রকাশ করেছেন।ফেডেক্স সংস্থার কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার পরে শিখ সম্প্রদায়ের নেতা গুরিন্দর সিং খালসা জানিয়েছেন, ‘এটি অত্যন্ত হৃদয় বিদারক।’

ফেডেক্সের চেয়ারম্যান ও সিইও ফ্রেডরিক ডব্লু স্মিথ জানিয়েছেন, ‘হিংসাত্মক এই আচরণে আমরা আমাদের আট সদস্যকে হারিয়েছি।’ এই সদস্যদের পরিবারের প্রতি তিনি গভীর সমবেদনাও জানান। এই হিংসাত্মক ঘটনাটি ঘটিয়েছে ইন্ডিয়ানার ১৯ বছর বয়সী ব্র্যান্ডন স্কট হোল নামে এক যুবক। গুলি চালানোর পরে নিজেও আত্মহত্যা করে মারা যায়।

জানা গিয়েছে ফেডেক্স সেন্টারে কাজ করা ৯০ শতাংশ কর্মচারী ভারতীয়-আমেরিকান।এবং বেশিরভাগ স্থানীয় শিখ সম্প্রদায়ের। মারা যাওয়া চার শিখের মধ্যে দুই জন মহিলা। একজন অমরজত কৌর সেখন, অপরজন অমরজিৎ কৌর জোহাল।জসবিন্দর সিংহ এবং হরপ্রীত সিং গিল নামে দুই পুরুষ কর্মী এই ঘটনায় মারা গিয়েছেন। আর একজন আহত হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহে মার্কিন মুলুকে একাধিক শুটিং এর ঘটনা সামনে এসেছে। মার্চের ৩১ তারিখে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় গুলি হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় ৯ বছরের এক বালক সহ ৪ জনের মৃত্যু হয়। তার এক সপ্তাহ আগে আর এক বন্দুকবাজের হামলায় এক পুলিশ অফিসার নিহত হন, কলোরাডোতে এই হামলার ঘটনা ঘটে।ওই হামলার ঘটনায় মোট ১০ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন বহু।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.