মুম্বই: করোনার প্রকোপে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ক্রীড়াজগত৷ বিশ্বের অন্য দেশে ট্রেনিং শুরু হলেও ভারতে এখনও সেভাবে আউটডোর ট্রেনিং শুরু হয়নি৷ ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডও এ ব্যাপারে এখনও কোনও নির্দেশিকা দেয়নি৷ তবে টিম ইন্ডিয়ার ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধর ভারতীয় দলের চারটি পর্যায়ের ট্রেনিং শিডিউল তৈরি করছেন।

এখনই বাইশ গজে লড়াই শুরুর ব্যাপারে সবুজ সংকেত দেয়নি বিসিসিআই৷ কিন্তু খেলা শুরু হলে ক্রিকেটাররা যাতে অল্প সময়ে ম্যাচ ফিটনেস রপ্ত করে ফেলতে পারেন, সেই জন্য জাতীয় দলের ফিল্ডিং কোচ ট্রেনিং শিডিউল তৈরি করে ফেলেছেন। ২০১৪ সাল থেকে জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন শ্রীধর৷

তিনি জানান, ‘৪-৬ সপ্তাহের ট্রেনিং ক্যাম্প আয়োজন করলে আমরা ফিটনেসের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে যাব। বোলারদের ক্ষেত্রে ৬ সপ্তাহ কিন্তু ব্যাটসম্যানদের ক্ষেত্রে আর একটু কম সময় লাগতে পারে৷ কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে বিসিসিআই চূড়ান্ত দিনক্ষণ জানালে, আমরা ট্রেনিং শুরু করব৷ ১৪-১৫ সপ্তাহের ব্রেক পাওয়ার পর ক্রিকেটাররাও মাঠে নামতে মুখিয়ে রয়েছে৷’

শ্রীধর আরও বলেন, ‘শুরুতেই আমরা হেভি অনুশীলন করা যাবে না৷ ধীরে ধীরে অনুশীলনের মাত্রা বাড়াতে হবে। প্রায় তিন মাস পর মাঠে নেমে হেভি অনুশীলনে চোট লাগার সম্ভাবনা থাকে৷’ কিন্তু কীভাবে চার পর্যায়ে অনুশীলন হবে? তার ব্যাখ্যা দেন শ্রীধর৷

তিনি জানান প্রথমে লো ভলুম লো ইন্টেন্সিটি, দ্বিতীয় পর্যায়ে মডারেট ভলুম লো ইন্টেন্সিটি, তৃতীয় পর্যায়ে, হাই ভলুম মডারেট ইন্টেন্সিটি এবং শেষ অংশে হাই ভলুম হাই ইন্টেন্সিটি ট্রেনিং করানো হবে। লো ভলুম লো ইন্টেন্সিটি-হাফ ও কোয়ার্টার রান-আপ নিয়ে ফাস্ট বোলাররা দু’ওভার করে বোলিং করবেন। মাঝারি মানের পেস বোলিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যাটসম্যানরা পাঁচ থেকে ছয় মিনিট ব্যাটিং করবেন। এই ভাবে ট্রেনিং গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে অনুশীলনের তীব্রতা বাড়বে।

শ্রীধর বলেন, ‘ভারতীয় দলের প্রথমসারির ক্রিকেটাররা ৬ সপ্তাহের মধ্যেই টেস্ট ম্যাচ খেলার পর্যায়ে চলে আসবেন। প্রত্যেকের ম্যাচ ফিটনেস আলাদা৷ তাই প্রত্যোকের কথা ভেবে চার পর্যায়ের অনুশীলনের বন্দোবস্ত করা হয়েছে।’

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প