কলকাতা: আতঙ্ক ফের বাড়ল। ব্রিটেনের করোনা স্ট্রেনের পর এবার দক্ষিণ আফ্রিকার করোনা স্ট্রেনও ঢুকে পড়েছে বাংলায়। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রিটেনের করোনা স্ট্রেনের হামলায় এরাজ্যের ৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদেরই একজনকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রিটেনের করোনা স্ট্রেনে আক্রান্ত চারজনই সপ্তাহখানেক বিদেশ থেকে ফিরেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এরাজ্যে এসে তাঁরা কাদের সংস্পর্শে এসেছেন তা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে স্বাস্থ্য দফতর।

নিউ নর্মালেও গোটা দেশে নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। বিশেষত মহারাষ্ট্র, কেরল ও তামিলনাড়ু, পঞ্জাব, তেলেঙ্গানার সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে ঘোর উদ্বেগে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। করোনা মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রের একাধিক জেলায় লকডাউন, জনতা কারফিউ জারি করেছে মহারাষ্ট্র সরকার। রাজ্যবাসী যাতে কোভিড প্রোটোকল মেনে চলেন সেব্যাপারে সরকারিস্তর থেকেও চলছে প্রচারাভিযান। একইভাবে তামিলনাড়ুতেও লকডাউন করে করোনা লাগাম টানার চেষ্টায় প্রশাসন।

রাজ্যে এবার ব্রিটেন ও দক্ষিণ আফ্রিকার করোনা স্ট্রেনে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪। দেশের একাধিক রাজ্যে সংক্রমণ নতুন করে ছড়িয়ে পড়ায় আগেভাগেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করেছে রাজ্য সরকার। মহারাষ্ট্র, কেরল-সহ একাধিক রাজ্য থেকে আসা যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। রাজ্যে নতুন করে সংক্রমণ রুখতে সব ধরনের পদক্ষেপ করা হচ্ছে। তবে বিপদ এড়ানো গেল না। ইতিমধ্যেই ৩ জনের শরীরে ব্রিটেনের করোনা টেস্ট পাওয়া গিয়েছে। অন্য একজনের শরীরে মিলেছে দক্ষিণ আফ্রিকার করোনা স্ট্রেন।

অসুস্থদের মধ্যে একজন ভর্তি রয়েছেন বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। তাঁকে কড়া পর্যবেক্ষণে রেখেছছেন চিকিৎসকরা। ওই ব্যক্তির শরীরে আর কী কী উপসর্গ দেখা দিতে পারে সেব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, ব্রিটেন ও দক্ষিণ আফ্রিকার করোনা স্ট্রেনে আক্রান্ত ওই চারজন দিন দশেক আগেই বিদেশ থেকে ফিরেছিলেন বলে জেনেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

তাই তাঁদের ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলছেন স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা। দেশে ফিরে ওই চার ব্যক্তি কাদের কাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের প্রত্যেককে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন স্বাস্থ্য কর্মীরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।