পানাজি: উত্তর গোয়ার মাপুসা শহরের কাছের একটি ফ্ল্যাট থেকে একই পরিবারের চারজনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদের মধ্যে নয় বছর এবং তিন বছরের দুই নাবালক সন্তান রয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল দশটা নাগাদ ওই দেহগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে প্রাথমিক ভাবে খুন করার পরে আত্মহত্যা করেছেন বাড়ির কর্তা।

ফ্ল্যাটের ভেতরে ঢুকে বাড়ির কর্তার ঝুলন্ত দেহ সিলিং থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। এছাড়াও বাকি সদস্যদের দেহ ঘরের মেঝে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে বাড়ির তিনজনের দেহে কোন ক্ষতচিহ্ন পাওয়া যায়নি। উদ্ধার হওয়ার পরে চারজনের দেহ পোস্ট মর্টেম করার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে সম্পূর্ণ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে মাপুসা পুলিশ। আর তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি সুপারিন্টেনডেন্ট অফ পুলিশ এডউইন কোলাকো।

তিনি জানিয়েছেন ঘটনাস্থল থেকে সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা তা পরীক্ষা করেও দেখছেন। এছাড়াও অন্যান্য বেশ কিছু জিনিসপত্র পাওয়া গিয়েছে। যার ফলে কোন একটি মতের উপর থিতু হতে নারাজ পুলিশ আধিকারিকেরা। ওই পরিবারটি মূলত মহারাষ্ট্রের কোলাপুর জেলার বাসিন্দা। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে গোয়াতে বসবাস করতেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।