কলকাতা: দুষ্কৃতী হামলায় গুরুতর আহত বিজেপি নেতা বাবু মাস্টার (Babu Master)৷ ভর্তি রয়েছেন একটি বেসরকারি হাসপাতালে৷ তার চিকিৎসায় গড়া হয়েছে ৪ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড (medical board)৷

হাসপাতাল (Apollo Gleneagles Hospitals)সূত্রে খবর,বিপদমুক্ত ফিরোজ কামাল গাজি ওরফে বাবু মাস্টার (Babu Master)৷ তবে তার শরীরে একাধিক স্প্লিন্টারের আঘাত রয়েছে। তাই চিকিৎসকরা আরও ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখবেন তাকে৷ গড়া হয়েছে ৪ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড (medical board)৷ চিকিৎসকরা বাবু মাস্টারের শরীরের ক্ষতস্থানগুলি পরীক্ষা করবেন৷

শনিবার বিজেপি নেতাকে হাসপাতালে দেখতে যান শুভেন্দু অধিকারী, শঙ্কুদেব পণ্ডা৷ বাবু মাস্টারের ওপর হামলা প্রসঙ্গে আজ রবিবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, অনেকদিন ধরেই বাবু মাস্টারকে টার্গেট করা হয়েছিল। বিরোধীদের উপর এই ধরনের প্রাণঘাতী আক্রমণ গণতন্ত্রে চলতে পারে না। নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য ভয়ের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে।

প্রসঙ্গত,শনিবার মিনাখার লাউহাটিতে বিজেপি নেতা বাবু মাস্টারকে দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে। তাঁর গাড়ি ১০/১২ জন দুষ্কৃতী ঘিরে ধরে ত গাড়িতে বোমা, গুলি চালানোর অভিযোগ। ওই ঘটনায় বাবু মাস্টার ও তাঁর গাড়ির চালক গুরুতর আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বাবু মাস্টারকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাঁর শরীর থেকে বেশ কিছু বোমার স্প্লিন্টার বার করা হয়। শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ট এই বাবু মাস্টার ১৮ ডিসেম্বর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন।

বাবু মাস্টার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন গত ১৮ তিসেম্বর । শনিবার তিনি দীর্ঘদিন পর বসিরহাটে গিয়েছিলেন দলীয় সভায় যোগ দিতে। সভা শেষ করে কলকাতায় ফেরার সময় তাঁর ওপর এই হামলা হয়। তাঁকে দ্রুত মিনাখা থেকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে অন্য একটি গাড়ি করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়।

বাবু মাস্টারের আসল নাম ফিরোজ কামাল গাজি। তিনি উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের শিক্ষা, ক্রীড়া ও তথ্য সংস্কৃতির কর্মধ্যক্ষ ছিলেন । শুভেন্দু অধিকারী যেদিন তৃণমূল ছাড়েন সেদিন তিনিও বিজেপি ছেড়ে দেন। তৃণমূল ছাড়ার পর থেকে বাবু মাস্টার বসিরহাটে থাকছিলেন না। তিনি তাঁর ওপর হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছিলেন। শেষ পর্যন্ত শনিবার বসিরহাটে বিজেপির দলীয় সভা ছেড়ে কলকাতায় ফেরার পথে তাঁর গাড়ির ওপর মিনাখায় দুষ্কৃতীরা হামলা হল।

ঘটনাস্থল লাউহাটি থানার থেকে বেশি দূরে নয়। ফিরোজ কামাল গাজির অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও চিকিৎসকেরা তাঁর শরীর থেকে কাচ ও বোমার অংশ বার করার পর তিনি কিছুটা সুস্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে। দলের দূর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুলেই বাবু মাস্টার দল ছাড়েন। তিনি পেশায় শিক্ষক। তিনি দল ছাড়ার সময় অভিযোগ করেছিলেন তাঁর বিরুদ্ধে মাছ চুরির মামলা ও বেশ কয়েকটি জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করা হয়েছিল তৃণমূলের দলের তরফে। দলের কোনও স্তরে বলেই তিনি সুরাহা পাননি।

জেলা বিজেপির তরফে এই হালমার জন্য তৃণমূলকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। জেলা বিজেপি সূত্রে জানা গেছে বসিরহাট জেলা বিজেপি অফিসে বৈঠক করে শনিবার ফিরছিলেন বাবু মাস্টার। বসিরহাট থেকে গাড়িতে ফেরার সময় লাউহাটিতে একটি বাম্পারের সামনে গাড়িটি গতি কমালেই তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে ১০/১২ জন দুষ্কৃতী হামলা চালায়। গাড়ির সামনের বাম দিকে চালকের পাশে বসে ছিলেন বাবু মাস্টার। আচমকা বোমা,গুলির আঘাতে তারা হতচকিত হয়ে পড়েন।

তাও গাড়ির চালক কোনক্রমে গাড়িটি চালিয়ে লাউহাটি পুলিশ ফাড়িতে নিয়ে যায়। তারপর সেখান থেকে বাবু মাস্টারকে অন্য গাড়িতে করে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। তাঁর শরীরের বাদিকে বোমার আঘাত লেগেছে। লাউহাটি পুলিশ ফাড়ির সমনে লাগানো সিসি টিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।