মস্কো: মঙ্গলবার ভেঙে পড়ল মিলিটারি হেলিকপ্টার। ভয়াবহ এই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন কপ্টারে উপস্থিত চারজন।

রাশিয়ার গভর্নর জানিয়েছেন, রাশিয়ার বিচ্ছিন্ন এলাকা ছুকওটকা অঞ্চলে এই মিলিটারি বিমান ভেঙে পড়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রকের বিমানটি বিমানবন্দরের মূল অংশে অ্যানাডিরের কাছে ছুকওটকা অঞ্চলে পৌঁছে গিয়েছিল। বিমানবন্দরের ওই অংশ মিলিটারির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

রাশিয়ার গভর্নর রোমান কোপিন ইন্সটাগ্রামে একাউন্টে জানিয়েছেন, “ওই কপ্টারে তিনজন ক্রু মেম্বার ছাড়া একজন টেকনিশিয়ান ছিলেন। চারজনই মৃত”।

রাশিয়ার সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, টেকনিক্যাল দেখাশোনার কাজে টেস্ট করতে গিয়ে Mi-8 হেলিকপ্টারটি হঠাতই ভেঙে পড়েছে।

TASS জানিয়েছে, “এই বিমান দুর্ঘটনার কারণ সম্পূর্ণভাবে ওই বিমানের যান্ত্রিক গোলযোগ বলেই মনে করা হচ্ছে”।

তবে প্রতিরক্ষা দফতরের তরফে দুর্ঘটনার জায়গা খতিয়ে দেখা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

সপ্তাহখানেক আগে, আরও এক Mi-8 হেলিকপ্টার ভেঙে পরেছিল বলেই জানা গিয়েছে। মে মাসের ১৯ তারিখ ক্লিন শহরে ভেঙে গিয়েছিল এই কপটার। প্রায় ২৫ মিনিট পরেও ওই কপটারের ক্রু যোগাযোগ স্থাপন না করতে না পারায় শেষ রক্ষা হয়নি। তল্লাশি চালিয়ে দেখা গিয়েছে, হেলিকপ্টার ভেঙে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বিশ্বব্যাপী অনেকগুলো বেসরকারি সামরিক সংস্থা আছে যারা বিভিন্ন যুদ্ধে টাকার বিনিময়ে লড়াই করে। ওয়াগনার গ্রুপ তেমনই একটি প্রতিষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্রের ‘দ্য একাডেমি’ও এরকম একটি বিখ্যাত সংস্থা। এসব সংস্থা নিজেরা লোক সংগ্রহ করে তাদের প্রশিক্ষণ দেয়। এরপর বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাদের যুদ্ধ করতে পাঠায়। আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র প্রচুর ভাড়াটে যোদ্ধা পাঠিয়েছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। রাশিয়ার ওয়াগনার গ্রুপ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের খুব কাছের বলে শোনা গিয়েছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প