আঙ্কারা: হেলিকপ্টার ভেঙে নিহত হলেন চার জওয়ান৷ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে তুরস্কের ইস্তানবুলে৷ সোমবার ইস্তানবুলের গভর্নর আলি ইয়ারলিকায়া সাংবাদিকদের এই খবর জানান৷ শোক প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘‘দুর্ভাগ্যবশত কপ্টারে থাকা চার জওয়ানই শহিদ হয়েছে৷’’

স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ ঘটে দুর্ঘটনাটি৷ কী থেকে দুর্ঘটনা ঘটেছে তা পরিস্কার নয়৷ কারণ অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছে সেদেশের সেনা৷ পাশাপাশি প্রশাসনের তরফে শুরু হয়েছে তদন্ত৷ ঘটনার সময়ের সামনে আসা বিভিন্ন ছবি ও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, জনবহুল এলাকায় ভেঙে পড়ার পর কালো ধোঁয়ায় ভরে যায় গোটা এলাকা৷

খবর পেয়ে সেখানে ছুটে আসে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী৷ শুরু হয় উদ্ধারকার্য৷ কপ্টার থেকে চার জওয়ানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানে তাদের মৃত বলে ঘোষণা করা হয়৷ যেধরনের দুর্ঘটনা হয়েছে তার থেকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারত৷ তবে ওই চার জওয়ান ছাড়া আর কোনও হতাহতের খবর নেই৷

গত বছর নভেম্বর মাসে এমনই এক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় চার জওয়ানের মৃত্যু হয়৷ সেবার কপ্টারটি একটি বহুতলের দেওয়ালে ধাক্কা মেরে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং জনবহুল এলাকায় ভেঙে পড়ে৷ ইস্তানবুলের সামানদিরা ঘাঁটি থেকে উড়ে হেলিকপ্টারটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছিল। তারপরেই ঘটে বিপর্যয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।