ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: রবিবার উতপ্ত হয়ে উঠল রাজধানী দিল্লি। দিল্লি পুলিশ ও অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীদের মধ্যে গুলির লড়াইয়ে আতঙ্ক ছড়ায় দিল্লিতে। ঘটনার সূত্রপাত সেই অক্ষরধাম মন্দিরে। জি মিডিয়ার সূত্র জানাচ্ছে, একটি সাদা গাড়িতে করে চার দুষ্কৃতী আচমকাই অক্ষরধাম মন্দিরের সামনে এসে দাঁড়ায়।

সেই গাড়িটির তল্লাশি করতে চেয়ে উপস্থিত পুলিশ কর্মী এগিয়ে আসেন। তখনই গাড়ির ভিতর থেকে গুলি চলে বলে অভিযোগ। পালটা পুলিশ গুলি চালালে গাড়িটি পালাতে শুরু করে। তবে পুলিশ কর্মীরা গাড়িটি ধরতে পারেননি। চার দুষ্কৃতীর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। দিল্লির গীতা কলোনির দিকে গাড়িটি পালিয়েছে বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। গোটা এলাকায় নাকাবন্দি করা হয়েছে।

তবে এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। রবিবার বেলা পৌনে এগারোটা মানডাওয়ালি পুলিশ স্টে এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। উল্লেখ্য ২০০২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর অক্ষরধাম মন্দিরে হামলা চালায় একটি জঙ্গি সংগঠন। নির্বিচারে গুলি চালায় তাদের ২ জঙ্গি। গুলিতে মৃত্যু হয় এক এনএসজি কামান্ডো সহ ৩০ জনের। আহতও হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় অক্ষরধাম মন্দিরে জঙ্গি হামলার মূল অভিযুক্ত। কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় তাকে ট্রানজিট রিমান্ডে অনন্তনাগ থেকে আহমেদাবাদ নিয়ে যাওয়া হয়। গুজরাট পুলিশের জঙ্গি দমন শাখার একটি দল অভিযুক্ত মহম্মদ ইয়াসিন ভাটকে তুলে দেয় গুজরাট পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে। তার বিরুদ্ধে হামলাকারীদের অস্ত্র-বোমা সরবারহের অভিযোগ রয়েছে।

কাশ্মীরেরই বাসিন্দা ইয়াসিন। গোয়েন্দাদের কাছে খবর ছিল, এতদিনে ঘরে ফিরেছে সে। হামলার পর জুহাপুরার বাসিন্দা রিয়াদে পালিয়ে গিয়েছিল এই অভিযুক্ত। বর্তমানে ঘরে ফিরে একটি কাঠের গোলায় কাজ করছে। এই তথ্য হাতে আসায়, গোপনে অভিযান চালিয়ে অবশেষে অনন্তনাগ থেকে তাকে গ্রেফতার করে গুজরাট এটিএস। এই অপারেশন চালায় ৩ এসিপি ও ২ পুলিস ইনস্পেক্টরের একটি টিম।