তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: উপ পৌরপ্রধানের উপস্থিতিতে মাদকজাত দ্রব্যের ঠেকে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু পরিমান দেশী মদ উদ্ধার করল পুলিশ। পাশাপাশি এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে চার জনকে আটক করল বাঁকুড়ার সদর থানার পুলিশ।

রবিবার বাঁকুড়া শহরে জেলাশাসকের আবাসনের উল্টো দিকে এফসিআই এর পরিত্যক্ত গোডাউন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকজাত দ্রব্যের রমরমা ব্যবসা চলছিল বলে অভিযোগ। এর আগে তৎকালীন মহকুমাশাসকের নেতৃত্বে এই ঠেক ভেঙে দেওয়া হলেও পরে নতুন করে ফের তা শুরু হয়। স্থানীয়দের দাবি, এখানে প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার চোলাই মদের কারবার চলে।

রবিবার সকালে বাঁকুড়া পৌরসভার উপ পৌরপ্রধান দিলীপ আগরওয়ালের উপস্থিতিতে বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ অতর্কিতে ওই চোলাই ঠেকে হানা দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চার জনকে আটক করার পাশাপাশি বেশ কিছু পরিমান দেশী ও চোলাই মদ উদ্ধার করেছে।

এদিকে ঘটনার সময় উপস্থিত বেশ কয়েক জন মহিলা সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা দেখেই দৌড় লাগান। তারা এই চোলাই মদের কারবারের বিষয়ে কেউ কিছুই জানেন না বলে দাবি করেন। উপ পৌরপ্রধান দিলীপ আগরওয়াল বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এখানে দেশী মদের কারবার চলছিল। এর আগেও তা ভেঙে ফেলা হয়। এখানে বসবাসকারী চার পাঁচ জনকে পূনর্বাসনের জন্য পৌরসভার তরফে টাকা দেওয়া হয়েছিল। পরে অভিযোগ আসতে শুরু করে, এখানে মদ সহ অন্যান্য মাদকজাত দ্রব্যের রমরমা কারবার ফের গজিয়ে উঠেছে।

এখানে সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরাও নেশা করতে আসেন। এই অভিযোগ পেয়েই পুলিশের এই অভিযান বলে তিনি জানান। একই সঙ্গে জেলাশাসকের সঙ্গে কথা বলে পরিত্যক্ত এফসিআই গোডাউনের এলাকাটিকে পাঁচিল দিয়ে ঘিরে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন জানিয়ে বলেন, শহরের প্রাণকেন্দ্র মাচানতলায় এই কাজ বরদাস্ত করা যায়না। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে তিনি আলোচনা করবেন বলেও জানান।