কান্দাহার : রাস্তার ধারে মাইন বিস্ফোরণে মৃত্যু হল ৪ জনের। আহত হয়েছেন ৬ জন। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আফগানিস্তানের কান্দাহারে ঘটেছে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ। বৃহস্পতিবার সকালে কান্দাহার প্রদেশের পাঞ্জওয়াই জেলায় ঘটনাটি ঘটে।

কান্দাহার পুলিশ জানাচ্ছে, একটি যাত্রীবাহি গাড়ি মাইনে ধাক্কা মারে। তখনই এই বিস্ফোরণ হয়। কে বা কারা এই মাইন রেখে গিয়েছিল সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। কোনও জঙ্গি গোষ্ঠী এখনও এই ঘটনার দায় স্বীকার করেনি।

মৃতদের মধ্যে রয়েছে ১ শিশু ও ৩জন মহিলা। অন্যদিকে, চার শিশু, একজন মহিলা ও একজন পুরুষ এই বিস্ফোরণে জখম হয়েছেন বলে টোলো নিউজ সূত্রে খবর। ৯ই অগাষ্টও এরকম বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৮জন মারা যান। সেই বিস্ফোরণও কান্দাহারে হয়েছিল। কান্দাহারের আরঘিস্তান জেলায় রাস্তার পাশে রাখা বোমায় ধাক্কা মারে একটি গাড়ি। তারপরেই বিস্ফোরণ হয়।

এদিকে, জুন মাসের শেষের দিকে, ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে আফগানিস্তান। সেখানের হেলমান্ড প্রদেশের দক্ষিণ প্রান্তে সাঙ্গিন জেলার একটি পশুবাজারে এই বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। জানা যায়, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে বহুদূর থেকে শব্দ শোনা যায়। কালো ধোঁয়াতে ঢেকে যায় গোটা আকাশ।

প্রবল এই বিস্ফোরণে ২৩ জনের মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও রয়েছে বলে জানা গিয়েছিল। বেশ কয়েকজন স্থানীয় মানুষজন গুরুতর জখম হন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনার পর এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশবাহিনী। নামানো হয় সেনাকেও। গোটা এলাকা কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়।

জানা যায়, একটি গাড়িতে জঙ্গিরা বোমা রেখে চলে যায়। সেটি নির্দিষ্ট টাইমে বিস্ফোরণ ঘটে বলে মনে করা হচ্ছে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে মুহূর্তে কালো ধোঁয়াতে ঢেকে যায়। বহুদূর থেকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। কিছুটা পরিস্থিতি ঠিক হলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় শুধু মৃতদেহ। আতঙ্কে রীতিমত হুড়োহুড়ি বেঁধে যায়। এর ফলে অনেকে পদপিষ্ট হয়েও মারা যান বলে জানা যায়।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।