স্টাফ রিপোর্টার,বারাকপুর: উত্তর ২৪ পরগনার ইছাপুরের প্রাক্তন মহিলা তৃণমূল কাউন্সিলর চম্পা দাসকে গুলি করে খুনের চেষ্টার ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার করা হল ৪ কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম তপন, শুভ, টুবাই এবং রকি । সোমবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নোয়াপাড়া থানার তদন্তকারী পুলিশ অফিসাররা ওই চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।

ধৃতদের মধ্যে তপন, শুভ এবং টুবাইকে পুলিশ জগদ্দল থানা এলাকা এবং রকিকে ইছাপুর মায়াপল্লী এলাকা থেকে গ্রেফতারর করে। এই চার অভিযুক্তই গত শনিবার রাতে দুটি বাইকে করে চম্পা দাসের উপর হামলা করতে এসেছিল । মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই অপরাধীরা গ্রেফতার হওয়ায় খুশী জখম কাউন্সিলর চম্পা দাসের পরিবারের সদস্যরা ।

গত শনিবার সন্ধ্যায় নিজের বাড়ির সামনেই গুলিবিদ্ধ হন উত্তর বারাকপুর পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন মহিলা তৃণমূল কাউন্সিলর চম্পা দাস। তাঁকে ৪ জন কুখ্যাত দুষ্কৃতী দুটি বাইকে চেপে খুন করতে আসে। দুষ্কৃতীরা চম্পা দাসকে লক্ষ্য করে ২ টি গুলি চালালেও একটি গুলি চম্পা দেবীর কোমরের নিচে থাইতে লাগে, অন্য গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

এই ঘটনায় মারাত্মক জখম হন চম্পা দাস। তাঁকে প্রথমে বারাকপুর বি এন বসু মহকুমা হাসপাতালে ও পরে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই অস্ত্রোপচার করা হয় ওই কাউন্সিলরের । আপাতত তিনি বিপদমুক্ত এবং তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।

এদিকে শনিবার সন্ধ্যার় এই শ্যুট আউটের ঘটনায় নোয়াপাড়া থানার পুলিশ তদন্তে নেমে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই খুনের চেষ্টার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেন।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃত শুভ, তপন, টুবাই এবং রকি প্রত্যেকে কুখ্যাত সমাজ বিরোধী। ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক থানায় অসামাজিক কাজে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ধৃতরা যে বন্দুক দিয়ে চম্পা দেবীর উপর প্রাণঘাতী হামলা করেছিল, সেই বন্দুকটি এখনও উদ্ধার হয়নি। সেটি উদ্ধারের চেষ্টা করছে পুলিশ।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরেই চম্পা দাসের উপর প্রাণঘাতী হামলা করেছিল ওই দুষ্কৃতীরা । এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। এছাড়াও ধৃত চার অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ