প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর : একের পর এক জেলায় ক্রমশ ঘর ভাঙছে শাসক শিবিরের। অন্যদিকে ২০২১ এর আগেই ঘুঁটি সাজাতে আসরে নেমে পড়েছে পদ্ম বাহিনী। ফের তৃণমূলের ভাঙন ধরাল বিজেপি। এবার বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের মোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চল্লিশ জন তৃণমূলের নেতা, কর্মী বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং-এর হাত ধরে পদ্ম শিবিরে নাম লেখালেন।

তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭ নম্বর গ্রাম সংসদ এলাকা থেকে মোট ৪০ জন তৃণমূল কর্মী বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং-এর হাত ধরে শুক্রবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। এদিন তাঁদের হাতে পদ্মফুল তুলে দিয়ে বিজেপিতে যোগদান করান বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং।

এদিকে যে সমস্যায় নেতা কর্মীরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন তাঁদের বক্তব্য, “তৃণমূল সরকার সাধারণ মানুষের পাশে কোনও ভাবেই দাঁড়াইনি। আমপানেও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব কোনও কাজ করেনি। আমরা বিজেপিকে ভালোবাসি, ফলে আগে তেমনভাবে কাজের সুযোগ পাইনি। আর আমরা সাংসদের সঙ্গে কাজ করতে চাই তাই আজ বিজেপিতে যোগ দিলাম।”

এই বিষয়ে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, “যারা তৃণমূল করত তাঁদের আমরা দলে নিয়েছি। আগামী দিনে দল আরও ভালোভাবে সংগঠিত হবে এবং বাংলায় যে অত্যাচার চলছে তা বন্ধ হবে।”

আগামী ২০২১ বিধানসভা নির্বাচন। বাংলা দখলের লড়াইয়ে নেমে পড়েছে বিজেপি। করোনা আতঙ্কের মধ্যেও লাগাতার বাংলায় ভার্চুয়াল সভা করছে বিজেপি। গত কয়েকদিন আগে অমিত শাহ এহেন ভার্চুয়াল সভা থেকেই বাংলা দখলের ডাক দিয়েছিল।

যদিও আমফান, করোনা নিয়ে যখন বিধ্বস্ত বাংলা, সেই সময় বিজেপির এহেন সভা ঘিরে প্রশ্ন তোলে তৃণমূল। যদিও অমিত শাহের সভার পরেই বাংলায় বিজেপি তাঁদের সংগঠনকে মজবুত করতে নেমে পড়েছে। জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে সংগঠনকে মজবুত করার কাজ। চলছে দল ভাঙানো। শাসকের ঘর ভেঙে বিজেপিকে মজবুত করার ছক বঙ্গ-বিজেপির।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।