স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: বাড়ির পাকা মেঝে থেকে দুটি ভিন্ন প্রজাতির সাপ উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। শুধু সাপ উদ্ধারই নয়, তাদের ৪৫টি ডিম উদ্ধার করা হয়। এভাবে পাকা মেঝের মধ্যে থেকে এএতগুলি সাপ উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্ক।

ঘটনায় শুধু ওই বাড়িতেই নয়, চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জলপাইগুড়ি তিস্তা পারের বিবেকানন্দ পল্লী এলাকায়। এলাকার মানুষ ভয়ঙ্কর আতঙ্ক রয়েছে। জলপাইগুড়ি বিবেকানন্দ পল্লী এলাকার বাসিন্দা বীরেশ্বর সরকার দুপুরে তাঁদের বাড়ির শোওয়ার ঘরে থাকা একটি গর্ত থেকে একটি গোখরো সাপ দেখতে পান প্রথমে।

সেটি মুখ বের করে রীতিমত ফনা তুলে রয়েছেন দেখেন তিনি। ব্যাপক আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের খবর দেন। রীতিমত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অন্যান্য সদস্যরাও। এরপর তিনি খবর দেন পরিবেশ কর্মী বিশ্বজিৎ দত্ত চৌধুরীকে। তিনি এসে প্রায় দেড় ঘন্টার চেষ্টায় মেঝে খুড়ে দুটি পৃথক গর্ত থেকে একটি গোখরো এবং একটি দাড়াস সাপ উদ্ধার করেন।

এখানেই শেষ নয়। একই সঙ্গে দুটি সাপের মোট ৪৫টি ডিম উদ্ধার করেন তিনি। যা ভয়ঙ্কর। এই বিষয়ে বিশ্বজিৎ দত্ত চৌধুরী বলেন, “খবর পেয়ে এসে পাকা মেঝে খুঁড়ে দুটি গর্ত দেখতে পাই। এবং দুটি গর্ত থেকে একটি করে স্পেকটিক্যাল কোবরা এবং একটি দাড়াস সাপ (র‍্যাট স্নেক) উদ্ধার করি।

একই সঙ্গে এদের ৪৫ টি ডিম উদ্ধার করি। উদ্ধার করার সঙ্গে সঙ্গে কিছু ডিম ফুটে সাপের ছানা বের হচ্ছিলো। আমরা সেগুলিকেও নিরাপদ স্থানে ছেড়ে দিই।” বাকি ডিমগুলি বনদফতরকে জমা দেব বলে জানান তিনি। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও