অকল্যান্ড: বিরাট কোহলিকে তিনি অনুসরণ করছেন অল্প বয়স থেকেই। একইসঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়কের পাশাপাশি একই সময়ে ক্রিকেট খেলতে পেরে নিজেকে ‘ভাগ্যবান’ মনে করেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন।

২০০৮ মালয়েশিয়ায় অনুর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে দু’দেশের অধিনায়কত্বের ব্যাটন ছিল কোহলি-উইলিয়ামসনের হাতে। সেই থেকেই আধুনিক ক্রিকেটে সেরা হওয়ার দৌড় শুরু করেছিলেন বর্তমানে দুই দেশের দুই সেরা ব্যাটসম্যান। কিন্তু কোহলির প্রতি যে তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল সেটা আগেও বুঝিয়ে দিয়েছেন উইলিয়ামসন। সাম্প্রতিক সময় ভারতের নিউজিল্যান্ড সফরে সীমিত ওভারের সিরিজে বাউন্ডারি লাইনের ধারে দুই অধিনায়কের গল্প করার মুহূর্ত উঠে এসেছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

এপ্রসঙ্গে বলতে গিয়ে স্টার স্পোর্টসের ‘ক্রিকেট কানেক্টেড’ শো’য়ে উইলিয়ামসন বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আমরা সত্যিই ভাগ্যবান যে আমরা একে অপরের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ পেয়েছি। অনেক অল্প বয়সে কোহলির সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার বিষয়টি খুবই ইতিবাচক এবং সেই থেকেই আমি ওকে অনুসরণ করি এবং খুব কাছ থেকে ওর জার্নিটা দেখার চেষ্টা করেছি।’ মাঠের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বীতাটা ষোলোআনা থাকলেও মাঠের বাইরে কোহলি-উইলিয়ামসনের বন্ধুত্ব বারেবারেই চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

শেষ কয়েক বছরে ক্রিকেট সংক্রান্ত নানা বিষয়ে দু’জনের মধ্যে মতামত আদান-প্রদান হয়েছে বিস্তর। এব্যাপারে উইলিয়ামসন জানিয়েছেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে আমরা একে অপরের বিরুদ্ধে খেলছি, বিষয়টা খুবই আকর্ষণীয়। তবে সত্যি বলতে শেষ কয়েক বছরে ক্রিকেট সংক্রান্ত বিষয়ে আমাদের মধ্যে অনেক আলোচনা হয়েছে। যে আলোচনার মধ্যে দু’জনের মতের অনেক মিল রয়েছে। যেমন মাঠের মধ্যে ক্রিকেটারদের আচরণ কেমন হওয়া উচিৎ ইত্যাদি।’

উল্লেখ্য, ২০১৯ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে উইলিয়ামসনের নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরেই বিদায় নিয়েছিল কোহলির ভারত। কিন্তু ২০০৮ অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে উত্তেজক সেমিফাইনালে উইলিয়ামসনের দলকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছিল কোহলির ভারত।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ