নিউইয়র্ক: ‘চিনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পিছিয়ে না থেকে লাগাতার পদক্ষেপ করে চলেছে ভারত, এই প্রবণতা সদর্থক’, এমনই মন্তব্য করলেন রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত থাকা প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি। ৫৯টি চিনা অ্যাপ ভারতে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকেও স্বাগত জানিয়েছেন প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

লাদাখের গালওয়ান সীমান্তে চিনা আগ্রাসনের পর থেকে লাগাতার পদক্ষেপ ভারতের। অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করলে লালফৌজকে বাধা দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী।

চিনা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে শহিদ হন ২০ ভারতীয় সেনা-জওয়ান। সেই ঘটনার পর থেকেই চিনের সঙ্গে সবরকম সম্পর্ক চ্ছিন্ন করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে ভারত। দেশজুড়ে চিনা দ্রব্য বয়কটের ডাক জোরালো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারও চিনের বিরুদ্ধে লাগাতার পদক্ষেপ করে চলেছে।

সম্প্রতি টিকটক-সহ ৫৯টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করেছে ভারত সরকার। এছাড়াও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকেও চিনা দ্রব্য আমদানি করতে নিষেধ করেছে কেন্দ্র।

দিন কয়েক আগেই বিহারে একটি ব্রিজ তৈরির জন্য দুই চিনা সংস্থার বিপুল অঙ্কের কাজের বরাত বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম সংস্থা বিএসএএল-ও সাফ জানিয়েছে চিনা সংস্থার সঙ্গে তাঁদের ফোর-জি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ব্যাপারে আর কোনও কাজ তাঁরা করবেন না।

একদিকে লাদাখে চিনা চোখরাঙানির জবাব দিতে যেমন তৎপরতা বাড়ানো হচ্ছে, ঠিক তেমনি চিনকে অর্থনৈতিকভাবে আঘাত করতেও পুরোদস্তুর মাঠে নেমেছে ভারত। তারই অঙ্গ হিসেবে ভারতের বাজার থেকে একের পর এক চিনা সংস্থাকে মুছে ফেলার তৎপরতাও তুঙ্গে।

ভারতের এই পদক্ষেপে খুশি একসময় রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত থাকা মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি। তিনি বলেছেন, ‘টিকটক-সহ চিনা প্রতিষ্ঠানগুলির মালিকানাধীন ৫৯টি জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশনকে ভারত নিষিদ্ধ করছে দেখতে ভাল লাগছে। ভারতকে তারা বৃহত্তম বাজার হিসাবে বিবেচনা করে। চিনের আগ্রাসন থেকে পিছিয়ে না নেওয়ার বিষয়টি ভারত দেখিয়ে চলেছে’।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ