শঙ্কর দাস, বালুরঘাট: খুন এবং মাদক পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূলের প্রাক্তন নেতা লগিন দাসকে৷ গতরাতে পতিরাম এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। লগিন দাসের বিরুদ্ধে ২০০১ সালের জুলাই মাসে বাসে বিস্ফোরণ, খুন ও মাদক পাচারের মত অভিযোগগুলি রয়েছে।

পড়ুন: চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুতে ধুন্ধুমার হাসপাতাল চত্বরে

সম্প্রতি বালুরঘাটের বৈদ্যনাথ পাড়ায় অবস্থিত বাড়ির সামনে আত্মসমর্পনের নোটিশও টাঙিয়ে ছিল পুলিশ। সেই নোটিশে গত ১২ জুলাই সকাল দশটার মধ্যে আত্মসমর্থনের নির্দেশ থাকলেও লগিন আত্মসমর্পণ করেনি। অবশেষে পতিরাম এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

মঙ্গলবার পুলিশ তাঁকে বালুরঘাট আদালতে হাজির করে। জেলা দায়রা আদালত (তৃতীয়) জামিনের আবেদন খারিজ করে তাঁকে চার দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

জানা গিয়েছে, সপ্তাহ কয়েক আগে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বালুরঘাটের খাদিমপুর এলাকায় একটি গুদামে হানা দিয়েছিল বিএসএফ। গুদামটি থেকে বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত ছিল প্রায় কয়েকশ বোতল ফেন্সিডিল৷ বেআইনি ওই কারবারে জড়িত অভিযোগে পুলিশ লগিন দাসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

মঙ্গলবার তাঁকে মাদক চোরাচালানের মামলায় ১৪ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়ে বালুরঘাট আদালতে হাজির করিয়েছিল পুলিশ। অতিরিক্ত জেলা দায়রা তৃতীয় বিচারক পিএস চট্টোপাধ্যায় জামিনের আবেদন খারিজ করে৷ তাকে ১৪ দিনের বদলে চার দিনের জন্য পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। লগিন দাসের আইনজীবীর উপস্থিতেই যেন তাঁকে জেরা করা হয় সেই নির্দেশও বিচারক এদিন দিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।