নয়াদিল্লি: এবার করোনা আক্রান্ত হলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। আগেই করোনা টিকার দুটি ডোজই নিয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। এর পরেও তাঁর শরীরে বাসা বাঁধে মারণ ভাইরাস। মনমোহন সিংকে দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (AIIMS)-এ ভর্তি করা হয়েছে। ৮৮ বছরের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদকে কড়া পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা। AIIMS-এর ট্রমা সেন্টারে আপাতত চিকিৎসাধীন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

আগেই করোনা টিকার দুটি ডোজ নিয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা মনমোহন সিং। এরপর আজই তাঁর শরীরে করোনার অস্তিত্ব মেলে। তিনি মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হন। বয়স বেশি হওয়ার কারণে আর কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি তাঁর পরিবার। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (AIIMS)-এ ভর্তি করা হয়েছে। তবে আপাতত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে।

গোটা দেশ করোনার গ্রাসে। রাজ্যে-রাজ্যে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। মারণ ভাইরাস তছনছ করে দিয়েছে রাজধানী দিল্লিকে। অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে রাজধানীর দৈনিক সংক্রমণের হার।

যার ফলে এবার সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে শুধুমাত্র নাইট কারফিউ নয়, সোমবার ১৯ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত এই ৭ দিন রাজধানীতে সম্পূর্ণভাবে কারফিউ জারির ঘোষণা করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সোমবার সকালে একটি প্রেস বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন কেজরিওয়াল। দিল্লিতে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ভেঙে ফেলছে অতীতের সব রেকর্ড। প্রতিদিনই হু-হু করে বাড়ছে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা।

দিল্লিতে একের পর এক রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। এবার সেই তালিকায় নবতম সংযোজন দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। দ্রুত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এইমসের ট্রমা সেন্টারে আপাতত চিকিৎসাধীন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.