পানাজি: ব্রিসবেন রোর থেকে একবছরের চুক্তিতে লোনে ইস্টবঙ্গলে যোগ দিয়েছেন তিনি। রবি ফাওলারের অধীনে গত মরশুমে এ লিগের ক্লাবটিতে খেলা ডিফেন্ডার চলতি মরশুমে কলকাতা জায়ান্টদের ডিফেন্সে ভরসার আরেক নাম। অস্ট্রেলিয়ান লিগে একসময় নিয়মিত নেভিলের বিরুদ্ধে খেলা এমনকি একটি মরশুমে নেভিলের সতীর্থ হিসেবে খেলা ক্যামেরন ওয়াটসন  ডার্বির আগে প্রাক্তন সতীর্থকে নিয়ে সতর্ক করলেন প্রাক্তন ক্লাব মোহনবাগানকে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অজি ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার জানিয়েছেন, ‘স্কট নেভিল একজন পরিপূর্ণ ফুটবলার। ইস্টবেঙ্গলের জন্য ও একজন দারুণ অন্তর্ভুক্তি। আমি ওকে দারুণভাবে চিনি। অ্যাডিলেড ইউনাইটেডে খেলার সময় থেকেই ওর খেলার গুণগ্রাহী আমি। ও যে কোনও দলের সম্পদ হয়ে উঠতে পারে।’ উল্লেখ্য, অ্যাডিলেড ইউনাইটেডের হয়ে চার মরশুমে খেলার পর ২০১৫ নিউক্যাসেল জেটসের হয়ে নেভিলের সঙ্গে ফুটবল খেলেছেন ওয়াটসন।

তাই প্রাক্তন সতীর্থকে নিয়ে ডার্বির আগে প্রাক্তন ক্লাবকে সতর্ক করলেন অজি ফুটবলার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওয়াটসন জানিয়েছেন, ‘ওর সঙ্গে যখন এখানে খেলতাম ও ছিল দলের সবচেয়ে ফিট ফুটবলার। ও দুর্দান্ত একজন ফুটবলার। দলের যখনই প্রয়োজন হয়েছে ও নিজেকে মেলে ধরেছে। একইসঙ্গে ও যথেষ্ট ধারাবাহিকও বটে।’ নিউক্যাসেল জেটসের পর ২০১৬ বেঙ্গালুরু এফসি’র হয়ে প্রথমে ভারতে পা রেখেছিলেন ওয়াটসন। এরপর ২০১৭ মোহনবাগানে যোগদান করেছিলে ওয়াটসন।

স্বল্প সময়ে তৎকালীন কোচ সঞ্জয় সেনের ভীষণ পছন্দের ফুটবলারও হয়ে উঠেছিলেন তিনি। কিন্তু মরশুম শেষে সঞ্জয় সেন মোহনবাগানের কোচের পদ ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মোহনবাগান ছেড়ে যান ওয়াটসনও। তবে সুযোগ হলে এখনও চোখ রাখেন কলকাতা ডার্বিতে। ২৭ নভেম্বরও রাখবেন। তবে তাঁর আগে হাবাসের চিন্তা কিছুটা বাড়িয়ে ওয়াটসন বলছেন, ‘স্কট অস্ট্রেলিয়ান ফিলিপ লাম নামে পরিচিত। ওকে আটকানো খুব কঠিন। ও ডানদিক থেকে ক্রমাগত ওভারল্যাপে উঠে বিপক্ষকে বিভ্রান্ত করে।’

সবমিলিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে স্কটের এই দক্ষতা কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন ওয়াটসন। একইসঙ্গে ভারতে পুনরায় ফিরে আসার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। জন জনসন, এরিক পারতালু, ইউজেনসন লিংদোর মতো প্রাক্তন বেঙ্গালুরু সতীর্থদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ আছেন বলেও জানিয়েছেন ওয়াটসন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I