কলকাতা: মাত্র ৩৯ বছর বয়সেই লড়াই থামল মোহনবাগানের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা ডিফেন্ডার মণিতোম্বি সিং’য়ের। রবিবার ইম্ফলের কাছে নিজের গ্রামে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই মণিপুরি ফুটবলার। দীর্ঘদিন ধরেই শারীরীক অসুস্থতায় ভুগছিলেন একসময়ের সবুজ-মেরুন অধিনায়ক। মণিতোম্বি রেখে গেলেন তাঁর স্ত্রী এবং আট বছরের পুত্র সন্তানকে।

ক্লাবের জার্সি গায়ে বহু যুদ্ধের সৈনিক মণিতোম্বির এমন অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ মোহনবাগান ক্লাব। টুইটারে এক শোকবার্তায় ক্লাব জানিয়েছে, ‘প্রাক্তন অধিনায়ক মণিতোম্বি সিং’য়ের অকাল প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। এই কঠিন সময়ে তাঁর পরিবারের প্রতি আমাদের সমবেদনা রইল। শান্তিতে ঘুমোও মণিতোম্বি সিং।’

১৯৮১ ইম্ফলের আচানবেগেইতে জন্ম মণিতোম্বিকে মণিপুরের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। বন্ধু তোম্বা সিং’য়ের সঙ্গে মোহনবাগানে খেলার সুবাদে ময়দানের পরিচিত নাম হয়ে উঠেছিলেন মণিতোম্বি সিং।

২০০৩-০৫ সবুজ-মেরুন জার্সি গায়ে রাইট-ব্যাকের দায়িত্ব সামলেছিলেন মণিতোম্বি। আর্মি বয়েজের হয়ে কেরিয়ার শুরু করা মণিতোম্বি এরপর খেলেছেন এয়ার ইন্ডিয়া, সালগাওকরের হয়েও। ক্লাবের পাশপাশি ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে ২০০২ বুসান এশিয়াডেও প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন তিনি। অনুর্ধ্ব-২৩ ভারতীয় দলের সদস্য হিসেবে স্টিফেন কনস্ট্যানস্টাইনের প্রশিক্ষণে ২০০২ ঐতিহাসিক এলজি কাপ জয়ের সদস্য ছিলেন মণিতোম্বি।

নেরোকা এফসি’র হয়ে ২০১২ থেকে মণিপুর রাজ্য লিগে খেলেছেন নিয়মিত। ২০১৪ নেরোকা এফসি’র খেতাব জয়ে অন্যতম ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। ২০১৫-১৬ নেরোকা ছেড়ে মণিতোম্বি যোগদান করেছিলেন চ্যাম্পিয়ন আনৌবা ইমাজি মঙ্গল ক্লাবে। অবসরের পর ওই ক্লাবেরই কোচ হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন মণিতোম্বি। প্রাক্তন জাতীয় ফুটবলারের প্রয়াণে শোকাহত ভারতীয় ফুটবল।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।