চুঁচুড়া: মারা গেলেন মোহনবাগানের প্রাক্তন ফুটবলার সত্যজিৎ ঘোষ৷ সোমবার সকালে হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন জাতীয় দল এবং মোহনবাগানের এই প্রাক্তন ফুটবলার৷

বাড়িতে পড়ে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হন বাগানের এই প্রাক্তন ডিফেন্ডার৷ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়৷ চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷

মোহনবাগানে খেলেই জাতীয় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন সত্যজিৎ৷ তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বাংলার ফুটবলমহলে৷ প্রাক্তন গোলরক্ষক তনুময় বসু সোশ্যাল নেটওয়ার্কে সত্যজিৎ ঘোষের মৃত্যুর খবরটি জানান৷ সত্যজিৎতের মৃত্যুর খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখার পর তনুময় বসুর সঙ্গে যোগাযোগ করেন প্রাক্তন ফুটবলার সুব্রত ভট্টাচার্য৷

১৯৮১ সালে রেলওয়ে এফসি থেকে মোহনবাগানে সই করেছিলেন তিনি৷ খেলতেন স্টপার হিসেবে৷ সুব্রত ভট্টাচার্যের স্নেহধন্য ছিলেন সত্যজিৎ৷ একা অনেকটা জায়গা জুড়ে খেলতেন৷রাজস্থানের বিরুদ্ধে লিগের ম্যাচে পায়ে চোট পেয়েছিলেন৷ একসময় মহামেডান স্পোর্টিংয়েও খেলেন৷ সেখান থেকে মোহনবাগানে ফিরে এসে অবসর নেন৷

মোহনবাগান যখন এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে চিন গিয়েছিল, সেই দলেও ছিলেন তিনি৷ খুব ঠাণ্ডার মাথার খেলোয়াড় ছিলেন তিনি৷ তবে যথেষ্ট লড়াকু ছিলেন৷ মোহনবাগানে সুব্রত ভট্টাচার্যের পাশে নিয়মিত খেলেছিলেন তিনি৷ মোহনবাগানের হয়ে খেলেই জাতীয় দলে সুযোগ পান৷ ১৯৮৫ সালে কোচিতে নেহরু কাপে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেন সত্যাজিৎ৷

বাগানের এই প্রাক্তন ফুটবলার থাকতেন ব্যান্ডেলের দেবানন্দপুরে৷ রেখে গেলেন স্ত্রী আর মেয়ে-জামাইকে৷ তাঁর মরদেহ হগলি জেলা স্পোটস অ্যাসোসিয়েশনে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান ফুটবলপ্রেমীরা৷ তারপর চুঁচুড়ার শ্যামবাবুর ঘাটে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.