মুম্বই: ভারতীয় ক্রিকেটে নক্ষত্র পতন! চলে গেলেন রমেশচন্দ্র গঙ্গারাম নাদকার্নি৷ যিনি ভারতীয় ক্রিকেটে বাপু নাদকার্নি বলে পরিচিত ছিলেন৷ শুক্রবার মুম্বইয়ে তাঁর বাসভবনে ৮৬ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন অল-রাউন্ডার৷

দেশের হয়ে ৪১টি টেস্ট খেলেছেন নাসিকে জন্ম হওয়া এই বাঁ-হাতি স্পিনার৷ তিনি ইকনিমিক্যাল বোলার হিসেবে বেশি পরিচিত ছিলেন৷ টেস্টে তাঁর উইকেট সংখ্যা ৮৮টি৷ সেরা বোলিং ৪৩ রানে ৬ উইকেট৷ তবে চেন্নাই টেস্টে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর টানা ২১ মেডেন দিয়ে বিশ্বক্রিকেটে নজির গড়েছিলেন নাদকার্নি৷ মোট ১৯১টি প্রথমশ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন তিনি৷ তাঁর উইকেট সংখ্যা ৫০০৷ রান করেছেন ৮৮৮০ রান৷

মারাঠি এই ক্রিকেটারের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল ১৯৫৫ সালে দিল্লিতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে৷ কেরিয়ারের শেষ টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন অকল্যান্ডে নিউজিল্যান্ডেরই বিরুদ্ধে৷ সে সময় ভারতীয় দলের ক্যাপ্টেন ছিলেন মুনসুর আলি খান পতৌদি৷

নাদকার্নির মৃত্যুতে শুক্রবারই সমবেদনা জানিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটের দুই কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কর ও সচিন তেন্ডুলকর৷ প্রাক্তন ভারতীয় অল-রাউন্ডারে মৃত্যুতে টুইটারে সচিন লিখেছেন, ‘বাপু নাদকার্নির মৃত্যুর খবরে আমি অত্যন্ত মর্মাহত৷ টেস্ট ক্রিকেটে টানা ২১ ওভার মেডেন দেওয়ার রেকর্ড শুনে আমরা বড় হয়েছি৷ ওনার পরিবারের প্রতি আমি সমবেদনা জানাই৷

রাজকোটে ভারত-অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচের পর সাংবাদিকদের গাভাস্কর জানান, ‘আমার অনেক সফরেই উনি অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার ছিলেন৷ তিনি বরাবরই উৎসাহ দিতেন৷ ওনার ফেভারিট টার্মই ছিল ‘ছোড়ো মত’৷ যে সময় থাই প্যাড ও গ্লাভস ছিল না, তখনকার দিনে উনি ছিলেন উপযোগী ক্রিকেটার৷ ট্যুর ম্যানেজার হিসেবেও উনি অত্যন্ত কার্ষকরী ছিলেন৷ ফিল্ডি করলে লাঞ্চ ও টি টাইমে ক্যাপ্টেন নির্দেশ দিতেন বোলারদের দিয়ে রাউন্ড দ্য উইকেট বোলিং করাতে৷ ভারতীয় ক্রিকেট একজন সত্যিকারের চ্যাম্পিয়নকে হারাল৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.