কায়রো: আরব বসন্তের মারাত্মক ঝড়ে গদি উপড়ে গিয়েছিল৷ রক্তাক্ত সংঘর্ষ ও সেনাবাহিনির একাংশের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত ৩০ বছরের টানা ক্ষমতা মিলিয়েছিল নীল নদের জলে৷ তারপর বন্দিত্ব ও কারাবাস৷ শেষ পর্যন্ত অসুস্থ হয়েই প্রয়াত হলেন মিশরের সেই একনায়ক শাসক হোসনি মোবারক৷

আল জাজিরা ও আল আহরাম সংবাদ মাধ্যমের খবর, মিশরের এই এই অতি আলোচিত তথা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অন্যতম একনায়কের তকমা পাওয়া হোসনি মোবারকের শেষ কৃত্য নিয়ে তীব্র টালবাহানার ইঙ্গিত মিলছে৷ কারণ মোবারক পরবর্তী মিশরের ক্ষমতায় আসা আল সিসির অবস্থান কী হতে পারে তাই নিয়ে চলছে কাটাছেঁড়া৷

বিবিসি জানাচ্ছে, মিশরের মাটিতে ১৯৮১ সাল থেকে একনায়ক শাসকের ভূমিকা নিয়ে অতীর্ণ হন হোসনি মোবারক৷ তারপর টানা তিন দশকের ক্ষমতা ভোগ তাঁকে বিশ্ব জুড়ে প্রবল সমালোচিত ও আলোচিত করে তুলেছিল৷

২০১১ সালে আরব বসন্তের ঢেউ মিশরে প্রবল সরকার বিরোধী গণ আন্দোলন তৈরি করে৷ সেই গণ বিক্ষোভের ধাক্কায় ক্ষমতা থেকে ছিটকে পড়েন হোসনি মোবারক৷ আন্তর্জাতিক মহলে তিনি মিশরের কুখ্যাত ফারাওদের মতোই ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন৷

  ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসের ১৮ দিন ধরে গণ অভ্যুত্থান রুখতে সেনা বাহিনি নামিয়ে গুলি চালিয়ে রক্তাক্ত অবস্থা তৈরি করিয়েছিলেন হোসনি মোবারক৷  ২৩৯জন বিক্ষোভকারী নিহত হন বলে পরে হোসনির বিরুদ্ধে চলা মামলায় প্রমাণিত হয়েছে৷  তবে ২০১৭ সালের মার্চে মুক্তি পান তিনি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ