স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: শুধুমাত্র জয়ী প্রার্থী নয়, বামেদের সংগঠনেও থাবা বসাল তৃণমূল কংগ্রেস। বিশাল রাজনৈতিক কর্মশালায় প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই ঘাসফুলের পতাকা হাতে নিতে চলেছেন সিপিএমের গারুলিয়া লোকাল কমিটির প্রাক্তন সম্পাদক শ্যামা প্রসাদ সিনহা।

আরও পড়ুন- পুরুলিয়ায় অমিতের বিশাল সভার খরচ কোটি টাকা?

উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত গারুলিয়া লোকাল কমিটির সম্পাদকের পদে দীর্ঘদিন ধরে বহাল ছিলেন শ্যামা প্রসাদ বাবু। দলের অনেক চড়াই-উতরাই দেখেছেন। ২০১১ সালে ক্ষমতা হারানোর পরে রাজ্যের শাসক শিবিরের হাতে প্রহৃত হওয়ার নজিরও রয়েছে।

শ্যামনগরের ফিডার রোডের বাসিন্দা সেই শ্যামা সিনহা নাকি যোগ দিতে চলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসে। এমনই খবর পাওয়া গিয়েছে সূত্র মারফত।

জুলাই মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ রবিবার নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে এক বিশাল রাজনৈতিক কর্মশালার আয়োজন করেছে ঘাসফুল শিবির। পলতার শান্তিনগর হেলথ সেন্টারের মাঠে অনুষ্ঠিত হবে রাজ্যের শাসকদলের সেই কর্মশালা। সূত্রের খবর, সেই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেবেন শ্যামা প্রসাদ সিনহা। আরও ভালো করে বললে গারুলিয়ার সিপিএম নেতা শ্যামা সিনহা।

আরও পড়ুন- কলেজে ভরতিতে অনিয়ম রুখতে পুলিশকে কড়া নির্দেশ মমতার

একদা বিরোধী শ্যমা সিনহাকে দলে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত নোয়াপাড়ার তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। একই সঙ্গে তিনি যে পয়লা জুলাই পলতার রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে তৃণমূলের পতাকা হাতে নিতে চলেছেন তা স্বীকারও করে নিয়েছে তৃণমূল। নোয়াপাড়ার বিধায়ক তথা গারুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান এই বিষয়ে বলেছেন, “পলতার রাজনৈতিক কর্মশালার মঞ্চেই তৃণমূল কংগ্রেস যোগ দেবেন শ্যামা প্রসাদ সিনহা।”

ক্যাডার নির্ভর রাজনৈতিক দল সিপিএম-র কাছে লোকাল কমিটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সংগঠনের ভিত মজবুত করার ক্ষেত্রেও এই লোকাল কমিটিগুলিকে অনেক ক্ষমতা দেওয়া হয়। সেই কমিটির সম্পাদকের পদটিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তৃণমূল স্তরের সেই নেতার দলবদল যে সংগঠনে বড় প্রভাব ফেলবে তা বলাই বাহুল্য।

আরও পড়ুন- কে মিথ্যা বলছেন? প্রশ্ন তৃণমূলের

যদিও নিজের তৃণমূল যোগের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন সিপিএমের গারুলিয়া লোকাল কমিটির প্রাক্তন সম্পাদক শ্যামা প্রসাদ সিনহা। এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “আমি এমন কিছু জানি না।” অদূর বা সুদূর ভবিষ্যতে তেমন কিছু সম্ভাবনা আছে? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি শ্যামা সিনহা বলেছেন, “এই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। আমার কিছু বলারও নেই।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।