ঢাকা: মারণ করোনাভাইরাসকে হারিয়ে সুস্থ হলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক মাশরাফি মোর্তাজা। আক্রান্ত হওয়ার তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় পর রিপোর্ট নেগেটিভ এল মাশরাফির। মাশরাফির সঙ্গে সুস্থ হয়ে উঠেছেন আরও দুই বাংলাদেশি ক্রিকেটার নাজমুল ইসলাম এবং নাফিস ইকবাল। তবে রিপোর্ট এখনও পজিটিভ মাশরাফির স্ত্রী’য়ের। দু’সপ্তাহ আগে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি।

গত ২০ জুন বাংলাদেশের আর দুই ক্রিকেটার নাজমুল ইসলাম এবং নাফিস ইকবালের সঙ্গে একইদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন মাশরাফি মোর্তাজা। সুস্থ হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুরাগীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন মাশরাফি। একইসঙ্গে তাঁর স্ত্রী’য়ের দ্রুত আরোগ্য কামনার জন্য অনুরাগীদের প্রার্থনা করতে বলেছেন তিনি। একইসঙ্গে কঠিন সময়ে তাঁর অনুরাগীদের সমস্ত প্রোটোকল এবং গাইডলাইন মেনে মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন মাশরাফি।

মঙ্গলবার ফেসবুক পোস্টে মাশরাফি লিখেছেন, ‘আজ সন্ধেয় আমার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। আমার সুস্থতার জন্য যারা প্রার্থনা করেছিলেন, এই কঠিন সময়ে পাশে থেকেছিলেন আমি তাদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। কিন্তু দু’সপ্তাহ পর আমার স্ত্রী এখনও পজিটিভ। দ্রুত সুস্থ হচ্ছে সেও। আপনারা ওর জন্য প্রার্থনা করুন।’ একইসঙ্গে আক্রান্তদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে মাশরাফি জানান, ‘আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখুন, ইতিবাচক থাকুন। আমাদের একসঙ্গে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইটা করতে হবে।’

প্রসঙ্গত টেস্ট এবং টি২০ থেকে মাশরাফি সরে দাঁড়িয়েছেন। চলতি বছরের শুরুতে ওয়ান-ডে ক্যাপ্টেনসি থেকেও অব্যাহতি নিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের হয়ে ৩৬টি টেস্ট ২২০টি ওয়ান ডে এবং ৫৪টি টি-২০ ম্যাচ খেলা ৩৬ বছরের ডানহাতি পেসার জুনের মাঝামাঝি বেশ কয়েকদিন যাবৎ অসুস্থ বোধ করছিলেন। করোনার উপসর্গ থাকায় গত ১৯ জুন লালারস পরীক্ষা করা হয় তাঁর। ২০ জুন দুপুরে সেই টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন মাশরাফি। বাড়িতেই আইসোলেশনে ছিলেন প্রাক্তন জাতীয় অধিনায়ক। বাড়িতেই চিকিৎসা হয় তাঁর।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।