মেলবোর্ন: অস্ট্রেলিয়ার স্পিনিং গ্রেট স্টুয়ার্ট ম্যাকগিলের অপহৃত হওয়ার রহস্য উন্মোচন হল ঘটনার দিনকয়েক বাদে। ফিল্মি-কায়দায় বন্দুকের নলের সামনে রেখে মুক্তিপণ চাওয়া হলে ঘটনায় এতোটাই আতঙ্কিত এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন ম্যাকগিল, যে ৬ দিন পর পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। গত ১৪ এপ্রিল প্রাক্তন অজি ক্রিকেট তারকাকে অপহরণের ঘটনা ঘটলেও ২০ এপ্রিল তিনি অভিযোগ জানান পুলিশে।

গোটা ক্রিকেটবিশ্বকে অবাক করা ম্যাকগিলের অপহরণের ঘটনায় বুধবার চার জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উল্লেখযোগ্যভাবে, সিডনিতে ম্যাকগিলের অপহরণের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ক্রিকেটারের বান্ধবীর ভাইকে। তাঁকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সিডনিতে গত ১৪ এপ্রিল বাড়ির সামনেই ম্যাকগিলের সঙ্গে দেখা হয় বছর ছেচল্লিশের মারিনো সোতিরোপাওলসের। যিনি ম্যাকগিলের বান্ধবী মারিয়া ও’মেঘারের ভাই এবং একইসঙ্গে ম্যাকগিল যে রেস্তোরাঁর জেনারেল ম্যানেজার, সেই রেস্তোরাঁর মালিক।

নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ জানিয়েছে, সাক্ষাতের পর তাঁর বান্ধবীর ভাই এবং আরও কয়েকজন মিলে ম্যাকগিলকে গাড়িতে তুলে একটি প্রত্যন্ত এলাকায় নিয়ে যায়। এরপর আগ্নেয়াস্ত্র সহযোগে চলে হুমকি এবং শারীরীক নির্যাতন। মুক্তিপণ চাওয়া হলেও প্রাক্তন ক্রিকেটারের থেকে কোনও অর্থ শেষ পর্যন্ত আদায় করা হয়নি। সিডনির উত্তর উপকূল এলাকা থেকে বলপূর্বক গাড়িতে ম্যাকগিলকে দক্ষিণ-পশ্চিমে বেলমোর অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই ঘন্টাখানেক শারীরীক অত্যাচার করে এবং ভয় দেখিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় প্রাক্তন ক্রিকেটারকে।

ডিটেকটিভ অ্যাকটিং সুপারিন্টেন্ডেন্ট অ্যান্থনি হলটন জানিয়েছেন, দিনছয়েক সন্ত্রস্ত থাকার পর পুলিশে অভিযোগ জানান ম্যাকগিল। ব্যক্তিগত সংঘাতের কারণেই এই ঘটনা বলে অনুমান পুলিশের। অপহরণের ঘটনায় জড়িতদের খোঁজে এতোদিন তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ। বুধবার ভোররাতে সিডনি থেকেই চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কিংবদন্তি শ্যেন ওয়ার্নের ছায়ায় ঢাকা পড়ে যাওয়া স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল ১৯৯৮-২০০৮ জাতীয় দলের জার্সিতে ৪৪টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। পাঁচ দিনের ক্রিকেটে তাঁর উইকেট সংখ্যা ২০৮ উইকেট। এর মধ্যে ১২ বার এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার নজির রয়েছে ম্যাকগিলের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.