বেজিং: কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে, স্পেশাল স্ট্যাটাস মুছে ফেলা হয়েছে, ভাগ করা হয়েছে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ দুটি অঞ্চল বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। তবে এবার ভারতের এই সিদ্ধান্তকে ‘বেআইনি’ এবং ‘অকার্যকরী’র তকমা দিল চিন।

আরও বলা হয়েছে, ভারতের এই সিদ্ধান্তে চিনের বহু এলাকা ভারতের ‘অন্তর্ভুক্ত’ হয়েছে। যা চিনের প্রশাসনবিধিতে চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। অগস্ট ৫ তারিখের সিদ্ধান্তকে মেনেই বৃহস্পতিবার থেকে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।

কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পরই নিজেদের মতামত জানিয়েছিল চিন। যেখানে তাঁরা ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিল। সেদিনই নির্দেশ দেওয়া হয় লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীরকে দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। চিন দাবি জানিয়েছে বেশ অনেকটা অংশ চিনের।

এ বিষয়ে চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপত্র গেং সুয়াং জানিয়েছেন, “ভারত সরকার লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীরকে দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করেছে যার মধ্যে বেশ অনেকটা অংশ চিনের।”

পাকিস্তানের সব সময়ের বন্ধু চিন এরই মধ্যে গত মাসে কাশ্মীরের বিষয়টি রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। তবে বেজিং ও ইসলামাবাদ উভয় দেশের জন্যই ইউএনএসসির একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক কোনও ফলাফল বা বিবৃতি ছাড়াই শেষ হয়। কাশ্মীর ইস্যু সমাধানের বিষয়ে চিনের অবস্থান সম্পর্কে চিনের বিদেশমন্ত্রকের ওই মুখপাত্র বলেন, “আমরা কাশ্মীরকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ইস্যু হিসাবেই দেখছি।”

“আমরা জানি যে কাশ্মীর সম্পর্কে রাষ্ট্রসংঘের একটি নির্দিষ্ট প্রস্তাব রয়েছে। আমরা আশা করি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হবে”, বলেন চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া চুনাইং। প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং শি জিনপিংয়ের মধ্যে আসন্ন এই বৈঠকটি তাৎপর্যপূর্ণ হবে বলেই মনে করা হচ্ছে, তার পরের মাসেই আবার ওহান সম্মেলনে মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত-চিন।