স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: জঙ্গলের কাঠ চুরি কাণ্ডে বড়সড় সাফল্য পেল বনদফতর। বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে হাতে নাতে দু’জনকে ধরে ফেলেন বনদফতরের কর্মীরা। ঘটনাটি বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড় রেঞ্জ এলাকায়।

বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের কাছে কয়েক দিন ধরেই খবর ছিল নিত্যানন্দপুর ভৈরবডাঙ্গা এলাকার গভীর জঙ্গল থেকে রাতের অন্ধকারে কেউ বা কারা বহুমূল্যবান গাছ কেটে নিয়ে পালাচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে অভিযান চালিয়েও সাফল্য মেলেনি। অবশেষে বুধবার ভোর রাতে ওই এলাকার জঙ্গলে কাঠ কাটার সময় কয়েকজন পালিয়ে গেলেও দু’জনকে হাতে নাতে ধরে ফেলেন বনকর্মীরা। ধৃতদের নাম নাড়ু মণ্ডল ও স্বপন মণ্ডল।

বনকর্মীদের কাছে ধৃত নাড়ু মণ্ডল ও স্বপন মণ্ডল জঙ্গলের কাঠ চুরির কথা স্বীকার করে নেয়। তাদের দাবি, মূলত পেটের দায়ে তারা এই কাজ করতে বাধ্য হন। জঙ্গল থেকে রাতের অন্ধকারে কাঠ কেটে তারা স্থানীয় আশুড়িয়া বাজারে বিক্রি করেন বলে অভিযুক্তরা জানিয়েছেন।

বনাধিকারিক দেবদাস রায় বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই কাঠ চুরির ঘটনার খবর পাওয়া যাচ্ছিল। রাতের অন্ধকারে অভিযান চালিয়েও সেভাবে সাফল্য মেলেনি। এদিন রাতে দু’জনকে হাতে নাতে ধরতে পারলেও সঙ্গে থাকা কয়েক জন পালিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার বনদফতরের পক্ষ থেকে দুই অভিযুক্তের নামে বেলিয়াতোড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে এদিন ধৃতদের বাঁকুড়া জেলা আদালতে তোলা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।