ফেসবুক থেকে প্রাপ্ত এই ছবি

কলকাতা: বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ আগুন লাগে বাগবাজারের হাজার হাত বস্তিতে। আগুন যে ক্রমশ বিধ্বংসী হয়ে উঠতে পারে এসম্ভাবনা ছিলই। প্রথমে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন৷ পরে পরিস্থিতি ঘোরালো হয়ে উঠলে দমকলের ২০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়৷

আগুন লাগার সময় বস্তিতে একের পর এক গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের শব্দে কেপে উঠে এলাকা৷ মূহুর্তের মধ্যে আগুন আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে৷ আগুনের লেলিহান শিখায় গোটা বস্তিটি পুড়ে গিয়েছে৷ ফলে শীতের রাতে গৃহহীন হয়ে পড়েন কয়েকশো মানুষ৷

আরও পড়ুন – চাকুরিজীবীদের জন্য নয়া ঘোষণা, চাকরি পেলে-ছাড়লে লাগু হবে জিএসটি

তবে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে কলকাতা পুরসভা। আগুনের খবর পেয়ে গঙ্গাসাগর থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। পুরমন্ত্রী জানান, যে সমস্ত পরিবারগুলির ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে তা পুরসভা নতুন করে বানিয়ে দেবে। যতদিন পর্যন্ত এই ঘর না তৈরি হচ্ছে ততদিন তাঁদের থাকা-খাবার সংস্থানের ব্যবস্থা পুরসভার পক্ষ থেকেই করা হবে।

জানা গিয়েছে, প্রায় ২৫০ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। আপাতত ৪টি কমিউনিটি হলে রাখা হয়েছে দুর্গত মানুষদের। এছাড়া কাছের মহিলা কলেজেও অনেককে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সবাইকে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। দেওয়া হচ্ছে খাবার। ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার থেকে পুড়ে যাওয়া অংশ পরিষ্কার শুরু হবে।

আরও পড়ুন – ভারতের চেয়ে কেউ কম দাম দিলে টিকা তাদের কাছে কেনা হবে: বাংলাদেশ

অন্যদিকে বৃহস্পতিবার ফরেনসিক দল আসছে ঘটনাস্থলে। ঠিক কীভাবে এই আগুন লাগল তা খতিয়ে দেখবেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা কথা বলতে পারেন স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গেও।

শুধু বস্তি না, বুধবারে বাগবাজারের মায়ের বাড়ির অফিসের একাংশে দাও দাউ জ্বলে ওঠে আগুন। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে আগুন নেভানোর জন্যে ছুটে আসে এলাকার মানুষ। ছুটে আসেন মায়ের বাড়ির মহারাজরাও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।