শিলিগুড়ি: নেপাল-ভুটান ও বাংলাদেশ হল নিকটস্থ প্রতিবেশী রাষ্ট্র৷ আর অসম, সিকিম হল সর্ব কাছের দুই রাজ্য৷ ফলে পার্বত্যাঞ্চল দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার পর্যটনস্থলগুলিতে বিদেশি ও অন্য রাজ্যের টুরিস্টরা আসেন বড় সংখ্যায়৷ কিন্তু তাদের সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য থাকছে না পুলিশের কাছে৷

কতজন ভিনদেশি তথা বিদেশি নাগরিক ঘুরতে আসছেন তার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার৷ তৈরি করা হচ্ছে অন লাইনে এই তথ্য রাখার কাজ৷

দুই পার্বত্য জেলায় ছড়িয়ে থাকা হোটেল ও হোম স্টে মালিকরা ঝঞ্ঝাট এড়াতে পুলিশের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। প্রাথমিক পর্যায়ে দার্জিলিং জেলার কার্সিয়াং মহকুমা-কে নিয়েই কাজ শুরু হয়েছে৷

বিদেশি পর্যটকদের ক্রমাগত আসার কারণে দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলা পুলিশকে বিশেষ সতর্ক থাকতে হয়৷ সেই সঙ্গে থাকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দিকটি৷৷ নেপাল-ভুটানের সঙ্গে নাম কা ওয়াস্তে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পাহারা থাকায় চিন্তার কারণও বড় হয়ে উঠছে৷

এই অবস্থায় দার্জিলিং জেলা পুলিশের তরফে পার্বত্যাঞ্চলের সবকটি হোম স্টে ও হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে গ্রাহক পর্যটকদের কাছ থেকে সঠিক নথি যাচাই করে নিতে হবে৷

আইন অনুসারে বিদেশি পর্যটকরা এলে তাদের পাসপোর্ট ও অন্যান্য নাগরিক পরিচয়পত্রের ফটোকপি রেখে দেওয়া বাধ্যতামূলক৷ কিন্তু দেখা যাচ্ছে তেমন অনেক ক্ষেত্রে হয়না৷

নিয়মানুসারে প্রত্যেক বিদেশি পর্যটককে ফর্ম-সি পূর্ণ করে হোম স্টে বা হোটেলে উঠতে হয়৷ অভিযোগ আই থাকলেও ব্যবহার না করায় পুলিশে কাছে কোনও তথ্যই আসছে না৷

জানা গিয়েছে, দার্জিলিং ও নবগঠিত কালিম্পং জেলার সর্বত্র নতুন পর্যটন স্থল গড়ে উঠেছে৷ সেখানকার হোটেল ও হোম স্টে-তে থাকা পর্যটকদের সম্পর্কে কোনও তথ্যই মিলছে না তেমন৷ এখানেই বাড়ছে চিন্তা৷

এই দুই জেলায় নতুন অনেক হোটেল এবং হোম স্টে সম্পর্কে কোনও তথ্যই নেই সরকার বা জিটিএ প্রশাসনের কাছে৷

এতে বাড়ছে আইনি জটিলতা৷ এই জটিলতা কাটাতে অন লাইনে ফর্ম পূরণের ব্যবস্থা গুরুত্ব পাচ্ছে৷ এতে বিদেশি বা ভারতীয় পর্যটকদের সম্পর্কে তথ্য পেতে সুবিধা হবে পুলিশের৷