বারুইপুর: এ রাজ্যে শিল্পের উন্নয়নের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একাধিকবার বিদেশ সফর করেছেন। বিদেশের একের পর এক শিল্পপতির সাথে বৈঠক করেছেন। এবার বিদেশ থেকেই এরাজ্য তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ক্ষুদ্র শিল্পের পরিকাঠামো ক্ষতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার বারুইপুরে এলেন চার বিদেশি পড়ুয়া।

সিঙ্গাপুরের ইএসএসইসি বিজনেস স্কুলের চার জনের শিক্ষার্থীর দল এদিন আসে বারুইপুরে। বারুইপুরের শাঁখারি পুকুর এলাকায় একটি ধূপকাঠি তৈরির কারখানা ঘুরেও দেখেন তারা। পাশাপাশি জেলা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দফতরের আধিকারিকদের সাথে এই শিল্প নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা ও করেন তারা।

একসময় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুরে তৈরি আগরবাতি পাড়ি দিতোইটালি, আমেরিকা থেকে শুরু করে মিশরএমনকি ব্রাজিলেও। এই জেলারবারুইপুরের অন্তত ৪০ থেকে ৫০ হাজার মানুষ এই ধূপকাঠি তৈরি শিল্পের সাথে যুক্ত। বারুইপুরের ফুলতলা, শাঁখারিপুকুর,কুলাড়ি, শসারি, জয়াতলা, ধপধপি,উত্তরভাগ এলাকায় এখনো প্রায়শ’চারেক এই আগরবাতি তৈরির ইউনিট রয়েছে।

বারুইপুরের আগরবাতির বিশ্বজোড়া খ্যাতির কথা জেনেই সিঙ্গাপুর থেকে এখানে এই ধূপকাঠি সম্পর্কে জানার জন্য আসেন এই ছাত্ররা। এদিন বিডিও বারুইপুর অনির্বাণ দত্তের সাথে দেখা করে এ বিষয়ে কথা ও বলেন এই বিদেশী পড়ুয়ারা।

বৃহস্পতিবার সরজমিনে আগরবাতি তৈরি করার পদ্ধতি ও এই শিল্পের সাথে যুক্ত মানুষদের সাথে কথা বলে তাদের সুবিধা অসুবিধা জানার জন্য শাখারিপুকুর এলাকায় একটি ইউনিটে যান তারা। চোখে দেখার পাশাপাশি মোবাইল ফোনে আগরবাতি তৈরির ছবি ও তোলেন তারা। কিভাবে দূষণমুক্ত আগরবাতি তৈরি করা যায় সে বিষয়ে নিজেদের বিদ্যালয়ে গিয়ে গবেষণা করবেন বলেও জানিয়েছেন এই চার পড়ুয়া।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.