নয়াদিল্লি: সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বিতর্ক এখনও পিছু ছাড়ছে না। সাত দফার ভোট শেষ হয়ে যাওয়ার পরের দিনেই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন সমাজবাদী পার্টি তথা দেশের প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা আজম খান।

ভোট গ্রহণ মিটতেই এক্সিট পোল প্রকাশ করেছে বিভিন্ন সংস্থা। সকলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ফের কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসতে চলেছে এনডিএ জোট। উত্তর প্রদেশের সপা-বিএসপি মহাজোত বিশেষ দাগ কাটতে পারছে না। গতবারের মতো না হলেও এবারেও সেই মোদীতেই ভরসা রাখতে চলেছে দেশের সবথেকে বড় রাজ্য।

ওই এক্সিট পোল নিয়েই মুখ খুলেছেন সপা নেতা আজম খান। তাঁর অভিযোগ, “এক্সিট পোলের পিছনে বিদেশি শক্তির হাত রয়েছে।” শুধু তাই নয় এই এক্সিট পোল-কে ভয়ঙ্কর বলেও দাবি করেছেন তিনি। আজম খান বলেছেন, “এক্সিট পোল প্রকাসের পর থেকে দেশের অভ্যন্তরে অস্থিরতা ভেড়ে গিয়েছে। ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। গণতন্ত্র শেষ হতে চলেছে।”

এক্সিট পোলে বিজেপি এগিয়ে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দেশের একাধিক অবিজেপি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সমীক্ষা প্রকাশের পরেই সেটিকে ভুয়ো এবং বিজেপি পরিচালিত বলে দাবি করে ট্যুইট করেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন যে বিরোধী ঐক্যকে চিড় ধরাতেই কৌশল নিয়েছে বিজেপি৷ এই সুযোগে ইভিএম কারচুপির অভিযোগও সামনে আনেন তিনি৷ বিজোপি বিরোধী দলগুলির কাছে ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানান তৃণমূল নেত্রী৷

একই সুর শোনা গিয়েছে টিডিপি নেত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর গলাতেও। বুথ ফেরত সমীক্ষার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তিনি৷ ইভিএম কারচুপির রটনা নিয়ে বিঁধতে ছাড়লেন না কমিশনকে৷ সমীক্ষায় বিরোধী শিবিরের অবস্থা শোচনীয়৷ বাস্তবে অবশ্য বুথ ফেরত সমীক্ষার প্রতিফলন হবে না বলেই জোর গলায় দাবি করছেন টিডিপির চন্দ্রবাবু নাইডু৷ তাঁর দাবি, ‘‘ভোট গণনা নিয়ে নানান সমস্যা রয়েছে৷ কমিশনকেই সেই সমস্যার সমাধান করতে হবে৷ নানা রটনা রয়েছে ইভিএম, প্রিন্টার ও কন্ট্রোল প্যানেল নিয়ে৷ সেগুলি নাকি নিজেদের স্বার্থে পরিচালনা করা যায়৷ তাই সম্পূর্ণ বিষয়টিতে সন্দেহ থেকেই যায়৷’’