স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : বুধবার সকালে দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘন্টায় দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা বৃষ্টি হবে তবে বাকি জেলাগুলির আবহাওয়া শুকনো থাকবে।

সারা ভারতের নিরিখে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর পশ্চিম ভারতে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তৈরি হচ্ছে। যার জেরে কাশ্মীর, লাদাখ, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ডে ২২ জানুয়ারি থেকে ২৪ জানুয়ারির মধ্যে বৃষ্টির সঙ্গে তুষারপাতের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ২১ জানুয়ারি উত্তর ভারতের একাধিক রাজ্য পঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডিগড়, দিল্লি, উত্তরখণ্ড এবং উত্তর প্রদেশের কিছু অংশে শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যগুলিতে ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তাও জারি করা হয়েছে।

এদিকে কলকাতার পারদ ঊর্ধ্বমুখী লাফিয়ে ৬ ডিগ্রি বেড়েছে কলকাতার তাপমাত্রা। এমনটাই দেখা যাচ্ছে হাওয়া অফিসের রেকর্ডে। আজ বুধবার যে পারদ ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে তা আগেই জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। কিন্তু তা এতটা যে বৃদ্ধি পাবে তা বোঝা যায়নি কিন্তু সেটাই হয়েছে। যা ছিল ১৩ আজ তা ১৯ ডিগ্রি হয়েছে।

মঙ্গলবারের তুলনায় কলকাতার তাপমাত্রা বেড়েছে সাড়ে ছয় ডিগ্রির কাছাকাছি মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ বুধবার সকালে তা হয়েছে, ১৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি বেশি। কুয়াশাছন্ন শহর থেকে শীত এক্কেবারে নেই বললেই চলে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল গত ২৪ ঘণ্টায় অর্থাৎ মঙ্গলবার ছিল ২৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমান স্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে হয়েছে সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৫৮ শতাংশ। দমদমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সল্টলেকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস

এর কারণ কী? মূলত কুয়াশা। তবে হাওয়া আলিপুর আবহাওয়া দফতরের ব্যখ্যা জানাচ্ছে , একটি বঙ্গোপসাগরে একটি বিপরীতমুখী ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে তাঁর জেরে শহরে প্রচুর পরিমানে দক্ষিনী হাওয়ার প্রবেশ করেছে। যা কুয়াশা বাড়িয়েছে, বৃদ্ধি করেছে কলকাতার তাপমাত্রা। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তা ফের নেমে ১৭তে নামতে পারে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।