লখনউ: ফের জোর করে জয় শ্রী রাম বলানোর চেষ্টা যোগীর রাজ্যে।

উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগরে ইমামকে জোর করে জয় শ্রীরাম বলানোর চেষ্টার অভিযোগে ১২ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

পুলিশ সুপার শৈলেশ কুমার জানিয়েছেন, এই ঘটনার আর কেউ জড়িত রয়েছেন কিনা সেটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইমামের অভিযোগের ভিত্তিতে ১২ জন যুবকের বিরুদ্ধে আগেই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।

জানা গিয়েছে, শনিবার মুজফফরনগরের বাসিন্দা ইমলাক উর রহমান মোটর সাইকেলে নিয়ে নিজের গ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন। সেসময় কিছু যুবক তাঁর পথ আটকায়। তাঁকে মারধর করে। ইমামের অভিযোগ ওই যুবকরা তাঁকে দিয়ে জোর করে জয় শ্রীরাম বলানোর চেষ্টা করে। এমনকী তাঁকে বলা হয় দাঁড়ি কামানোর পরেই তিনি নিজের গ্রামে ঢুকতে পারবেন।

পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, এই হেনস্থার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়, তবে মুজফফরনগর থানায় ইমাম ইতিমধ্যেই অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর কয়েকদিন আগে উত্তর প্রদেশের উন্নাও জেলায় চার মাদ্রাসা ছাত্রকে জোর করে জয় শ্রীরাম বলতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ জমা পড়েছিল পুলিশের কাছে।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জানিয়েছেন এই চার ছাত্রকে মারধরও করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।