নয়াদিল্লি: একেই কি বলে কাকতালীয়! ইতিমধ্যেই আপ দলের কর্মী-সমর্থকরা উৎসবে মেতেছেন। দিল্লিতে ঝাড়ু ঝড়ের দিনে জোড়া খুশির খবর আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের জন্য। ভোটের ফল প্রকাশের দিনেই তাঁর পত্নী সুনীতা কেজরিওয়ালের জন্মদিন। এবার ৫৪ বছরে পা দিলেন তিনি।

ইতিমধ্যে কেজরি-পত্নীকে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আপ কর্মী সমর্থকেরা। স্ত্রী’র জন্মদিন একদিকে যেমন কেজরিওয়ালের জন্য খুশির দিন, তেমনই ভোটের ফল গণনার যা ট্রেন্ড তাতে কেজরিওয়ালের মুখের হাসি চওড়া হতে বাধ্য। ভোটের প্রচারে বারেবারে নিজের কাজের ওপরেই জোর দিয়েছেন কেজরিওয়াল। সেই কাজই হাসি ধরে রেখেছে কেজরিওয়ালের মুখে।

উল্লেখ্য, ভোটের প্রচারে অর্ধাঙ্গিনীর মতোই কেজরিওয়ালের পাশে থেকেছেন তার স্ত্রী সুনীতা। যখন বিজেপির তরফ থেকে কেজরিওয়ালকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলা হয়, তখন তার বিরুদ্ধে তীব্র সুর চড়িয়েছিলেন সুনীতা কেজরিওয়াল। আপ-কে ভোটে জয়যুক্ত করতে নিজের চেষ্টার কোনও ত্রুটি করেননি তিনি। বাড়ির দরজায় গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেছেন আম আদমি পার্টি-র জন্য।

আরও পড়ুন- দিল্লি বিজেপির ‘রিঙ্কিয়া কে পাপা…হি হি হাসদেলি’

ইতিমধ্যেই ভোটের যেটুকু ফলাফল সামনে এসেছে তা থেকে একটা ব্যাপার স্পষ্ট, যে হ্যাট্ট্রিকের পথে কেজরির দল। এই প্রতিবেদন লেখার সময় নির্বাচনী ফলাফলে ৭০ টির মধ্যে বিজেপি এগিয়ে মাত্র ৮ টিতে, অন্যদিকে আপ এগিয়ে ৬২ টি আসনে। কংগ্রেসের ঝুলিতে সংগ্রহ শূন্যই।

সুনীতা দেবীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে জন রেহান নামে এক নেটিজেন সোশ্যাল মাধ্যমে লিখেছেন, ‘জন্মদিন সেলিব্রেট করার জন্য কী দারুণ একটা দিন! সুনীতা ম্যামকে জানাই হ্যাপি বার্থ ডে।’

অন্যদিকে এদিন সকাল থেকেই কার্যত ফাঁকা দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতর। এর মধ্যে বিজেপির অফিসের বাইরে একটি হোর্ডিং দেখা যায়, ‘জয়ে আমরা অহংকারী হই না। পরাজয়ে আমরা নিরাশ হই না।’ হোর্ডিংয়ের একাংশে বড়বড় করে রয়েছে অমিত শাহের ছবি। এক ঝলকে দেখে মনে হচ্ছে, অমিত শাহই যেন এমনটাই বলছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.