মহামারীর প্রভাব আমাদের গোটা শরীরে পড়ে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর প্রভাব পড়ার পাশাপশি ওজন কমে যায়।

আবার শরীর ভেতর থেকে দুর্বল হয়ে যায়। আপনি যদি এই মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাহলে ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি ডায়েটে (diet and food) আনতে হবে পরিবর্তন।

খাবারে এমন কিছু জিনিস আপনাকে রাখতে হবে প্রতিদিন যার ফলে শরীর দুর্বলতা কাটিয়ে শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিজে থেকেই ঠিক হতে থাকে। এক্সপার্টরা এমন বিশেষ কিছু খাবারের নাম বলছেন যা প্রতিদিন আপনাদের ডায়েটে রাখতে পারলে আপনাদের করোনায় আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন আরোগ্য লাভের সময় হালকা ও সহজপাচ্য খাবার খেতে হবে যা পুষ্টিকর। এমন খাবার বেছে খেতে হবে যার মধ্যে ভিটামিন সি, ডি খনিজ এবং জিংক থাকে।

এতে আপনার আরোগ্যলাভ (recovery) দ্রুত হবে। একটি পুষ্টিকর খিচুড়ির আপনি বানিয়ে নিতে পারেন বাড়িতে।

এতে প্রোটিন থাকে ভরপুর। এ ছাড়াও বেশকিছু সবজি দিয়ে দিতে পারেন যা হজম ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তোলে।

এছাড়াও প্রতিদিন খাবারে ডাল প্রচুর পরিমাণে জল এবং তরিতরকারি রাখা উচিত। এ সময় যা খাবেন সেটা যেন গরম হয়। যে কোনো ঠান্ডা পানীয় বা আইসক্রিম অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন।

আরোগ্য লাভের (recovery) সময় কিছু খাবার আপনাকে মাথায় রাখতে হবে যা আপনাকে দ্রুত দুর্বল করতে পারে। প্যাকেজ খাবার বর্জন করুন। এসব খাবারে সোডিয়াম এবং প্রিজারভেটিভ থাকে।

এর ফলে শরীর ফুলে যায় এবং আরোগ্য লাভের (recovery) সময় আরো বেড়ে যায়। এই সময়ে বেশি মসলাযুক্ত খাবার পরিত্যাগ করুন।

এসব খাবার খেলে আপনার গলা আরো বেশি খারাপ হতে পারে। এছাড়াও মসলাদার খাবার খাওয়ার ফলে কফের পরিমাণ বেড়ে যায়। খাবারে শুকনো লঙ্কার গুঁড়োর জায়গায় কাঁচালঙ্কা ব্যবহার করুন।

দ্রুত আরোগ্য লাভের (recovery) সময় আস্তে আস্তে স্বাদ এবং গন্ধ পেতে শুরু করে রোগী। তাই এই সময় মুখরোচক খাবার খেতে ইচ্ছা করে।

তবে তেলে ভাজা খাবার অবশ্যই এড়িয়ে চলুন। তেলে ভাজা খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে। এতে হজম হতে সময় লাগে। ফলে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.