স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: হোম ডেলিভারি চল ওনেকদিন ধরেই রয়েছে। কিন্তু চার বেলা মুখের সামনে মন পসন্দ খাবার জোগান দেওয়া চাট্টিখানি কথা নয়। এই কঠিন কাজটাই শুরু করছে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতর।

পঞ্চায়েত দফতরের অধীনস্থ ওয়েস্ট বেঙ্গল কমপ্রিহেন্সিভ এরিয়া ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের হাত ধরে শুরু হয়েছে এই হোম ডেলিভারি।

মূলত সল্টলেক ও নিউটাউনের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই পরিষেবা চালু হয়েছে।

তবে শহরের যে কোনও প্রান্তে খাবার পৌঁছে দেওয়ার গুরুদায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন দফতরের অধীনে থাকা সংস্থার কিছু উদ্যমী কর্মী।

জানা গিয়েছে, ব্রেকফাস্টে রুটি, পরোটা, গরম হিংয়ের কচুরি, আর কলো জিরে দিয়ে আলু চচ্চড়ি, ঘুগনি, আলুর দম, ডিম টোস্ট, বাটার টোস্ট, চাউমিন রাখা হচ্ছে।

সবচেয়ে রুটি-তরকারির দাম-১৫ টাকা। মিক্সড চাউমিনের দাম -৫০ টাকা।

লাঞ্চ-ডিনারে ভাত, ডাল, মাছ, ডিম, দিশি মুরগি, ব্রয়লার মুরগি, খাসির মাংস থাকছে। খাসির মাংসের গোটা থালির দাম ৮৫ টাকা। বিকেলে পেঁয়াজি, আলুর চপ, বেগুনি, ভেজিটেবল চপ, মাছের চপ, মাংসের চপ রাখা হয়েছে।দাম সর্বোচ্চ ২০ টাকা। মিষ্টি মুখেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তালিকায় রয়েছে রসগোল্লা, পায়েস, পাটিসাপটা, মিষ্টি দই। কর্পোরেশনের প্রশাসনিক অধিকর্তা সৌম্যজিৎ দাসের কথায়, বহু মানুষ নানা কারণে বাড়ির বাইরে বেরতে পারেন না।

অথচ তাঁরা টাটকা ও উন্নত গুণমানের পণ্যের খোঁজ করেন। তাঁদের জন্য দফতর থেকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়েছে। তাঁদের অর্ডারে বাড়িতে পৌঁছে যায় আমাদের পণ্য। এরই মধ্যে এক কোটির দিকে যাচ্ছে বিক্রিবাটা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।