ওষুধ খাওয়া মানেই তার একটা প্রভাব আমাদের অজান্তেই আমাদের শরীরের উপর পড়ে। যে কোনো ধরনের ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে।

পাশাপাশি আমরা ওষুধ খাওয়ার সঙ্গে আবার কী কী ধরনের খাবার খাচ্ছি বা আমাদের দৈনন্দিন জীবনধারা কেমন তার ওপরও নির্ভর করে সেই ওষুধ কতটা কাজ করবে শরীরে।

তাই যে কোন ওষুধ খাওয়ার আগেই সেই ওষুধ খাওয়ার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে কিনা এবং তার সঙ্গে কি ধরনের খাবার খাওয়া উচিত নয় তা জেনে নেওয়া উচিত সেই ডাক্তারের কাছ থেকে।

এই সময়ে যেসব মানুষ অ্যান্টিবায়োটিক খাচ্ছেন তাদের জন্যে কিছু খাবারের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেগুলো মানতে পারলে অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স চলাকালীন আপনার শরীরে কোন খারাপ সাইড এফেক্ট পড়বে না।

উপরন্তু আপনি দ্রুত ভাল ফল পাবেন।

১. দুধ আছে এমন জাতীয় কোন খাবার এই সময় খেতে পারবেন না। দুধে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। এর ফলে শরীর অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাব গ্রহণ করতে পারে না।

তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হলো দই। আপনি এই সময়েও নির্দ্বিধায় দই খেতে পারেন কারণ এতে প্রোবায়োটিক আছে।

এই প্রোবায়োটিক অ্যান্টিবায়োটিকের ওপর কোনো খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে না সাধারণভাবে।

আরো পোস্ট-  মহব্বত কা শরবত- ভালোবেসে খান, ভালোবেসে খাওয়ান

২. অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খাওয়ার সময় আপনি কোন রকম অ্যালকোহল পান করতে পারবেন না। অ্যালকোহল ওষুধের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়, এমনটাই বলেন ডাক্তাররা।

৩. এছাড়া ক্যাফেইন মিশ্রিত আছে এমন কোনো পানীয় পান করতে পারবেন না। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় চা বা কফি।

৪. যেসব খাবারে আঁশ বা ফাইবার উপস্থিত রয়েছে সেগুলি খাওয়া এই সময় ঠিক নয়। এতে পাকস্থলীতে ওই ধরণের খাবার শোষণ হতে অনেক সময় লাগে।

ফলে আমাদের হজম শক্তি অনেক কমে যায়। গ্যাস, অম্বল হতে পারে এর থেকে।

৫. অম্ল স্বাদের খাবার যেমন টমেটো, চকলেট, বাদাম বা কোনো টকজাতীয় ফল আপনি খেতে পারবেন না এই সময়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.